ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়ের তিন মাসের মধ্যে লামিয়া ইসলাম নামের এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা নববধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ওই গৃহবধূর লাশ হাসপাতালে রেখেই স্বামী ও শাশুড়ি পালিয়ে যান।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশ জানিয়েছে, লামিয়ার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে ।
এর আগে, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এদিন রাতে গৃহবধূর স্বামীর মা লামিয়ার নানাকে ফোন করে বলেন, আপনার নাতনি মারা গেছে। পরে লামিয়ার নানা হাসপাতালে এসে তার মৃতদেহ দেখতে পান। এ সময় হাসপাতালে লামিয়ার লাশ রেখে তার স্বামী ও শাশুড়ি পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার।
নিহতের পিতা লিঠু মাতুব্বর জানান, লামিয়া পরিবারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ওই ছেলেকে বিয়ে করে। এই কারণে আমাদের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কটা ছিল না। খবর পেয়ে আমরা হাসপাতালে ছুটে আসি। আমরা ন্যায় বিচার দাবি করছি।
লামিয়া ইসলাম ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের রনি শেখের স্ত্রী। মুনসুরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তারা তিন মাস আগে অভিভাবকদের না জানিয়ে বিয়ে করেন বলে জানা যায়।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রনি শেখ লামিয়াকে বিয়ের পর তারা আত্মগোপনে ছিলেন। গত ৭ দিন আগে লামিয়ার পরিবারের সদস্যরা লামিয়া ও রনি শেখকে খুঁজে পায়। এরপর থেকে তারা রনির বাড়িতে বসবাস করছিলেন।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “সংবাদ পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে হাসপাতাল থেকে লামিয়া ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে সেখানে তার স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির কাউকে দেখা যায়নি।”



