Tuesday, October 06, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সুন্দরবনের পাশে ১৮ রিসোর্টে চূড়ান্ত নোটিশ, সরাতে হবে সব স্থাপনা

১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী এ নির্দেশ দেওয়া হয়

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম

বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা ১৮টি অনুমোদনহীন রিসোর্ট বন্ধে চূড়ান্ত নোটিশ দিয়েছে খুলনা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর। এর আগে দুই দফা নোটিশ দেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি।

খুলনা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৪ অক্টোবর) রিসোর্ট মালিকদের লিখিতভাবে এই চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশ পাওয়া রিসোর্টগুলো হলো সুন্দরী, ইরাবতী, অরণ্য, ছায়া, অরণ্যবাস, কেওড়া বন, মায়াবন, গহন, দ্য ফরেস্ট রিট্রিট, নিকুঞ্জ ভ্যালি, লা সিলভা কটেজ, বনবিবি, বনমালী, গোলকানন, পিয়ালী, ম্যানগ্রোভ, জঙ্গলবাড়ী, বনবাস ও বনলতা ইকো কটেজ। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

নোটিশে বলা হয়, সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্ট ও এর সীমানার চারদিকের ১০ কিলোমিটার এলাকা সরকার ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করেছে। ইসিএ প্রজ্ঞাপনে এই এলাকায় নির্দিষ্ট কিছু কার্যক্রম নিষিদ্ধ। অথচ পরিবেশ অধিদপ্তরের পূর্বানুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে রিসোর্ট স্থাপন করে প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংস করা হচ্ছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) ও ইসিএ বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

এ কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সব স্থাপনা অপসারণ এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র নিয়ে গ্রহণযোগ্য স্থানে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কার্যক্রম বন্ধ করে বিষয়টি লিখিতভাবে দপ্তরকে জানাতে বলা হয়েছে। নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও নিয়মিত মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

খুলনা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. হারুন-অর-রশীদ বলেন, “এর আগে আরও দুই দফা রিসোর্ট বন্ধের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। এবার চূড়ান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০টি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ দিন এবং আটটিকে ১৫ দিনের মধ্যে সব স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।”

   

About

Popular Links

x