বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে নেপাল। গত ২৭ আগস্ট ভোতেকোশি নদীর বন্যায় নেপালের দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভারতের সঞ্চালন নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৮টায় নেপাল থেকে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে সরবরাহ শুরু হয়।
এর আগে, নেপালে বন্যায় ত্রিশুলি ও চিলিমে জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ দুটি কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুমোদন ছিল।
নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির (এনইএ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠা জানান, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশে সরবরাহের জন্য অন্যান্য জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুতের অনুমোদন দেওয়ার পর রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, “বন্যায় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও সঞ্চালন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও অন্যান্য প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ বিক্রি অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশে রপ্তানি পুনরায় শুরু হওয়া নেপালের বিদ্যুৎ বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। বর্ষা মৌসুমে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ কাজে লাগানো এবং আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণে এ উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
সংশোধিত ব্যবস্থার আওতায় সোলু খোলা ও কাবেলি বি-১ জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে মৌসুমি বিদ্যুৎ রপ্তানির জন্য ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিবছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে নেপাল।



