দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জন পর্যটক দ্বীপে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে আগামী নভেম্বর মাসে পর্যটকরা দ্বীপে রাতযাপন করতে পারবেন না; তাদের দিনে গিয়ে দিনেই ফিরে আসতে হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত বছরের মতো এবারও কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ায় অবস্থিত বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকেই পর্যটকবাহী জাহাজগুলোকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে হবে। এর ফলে সাগরে যাতায়াতে পর্যটকদের তুলনামূলক বেশি সময় ব্যয় হবে এবং নভেম্বরে দ্বীপে অবস্থান করে ঘোরার জন্য তারা খুবই কম সময় পাবেন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে প্রকাশিত এক চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পর্যটকরা আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে রাতে অবস্থান করার সুযোগ পাবেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান জানান, দ্বীপের পরিবেশগত সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থেই নভেম্বর মাসে রাতযাপনের বিষয়ে আগের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।
একই সাথে চিঠিতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিন রুটে কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি প্রদান করতে পারবে না।



