Friday, November 06, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত শতাধিক, টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি

মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে

আপডেট : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের জয়রামপুর ও নিজামপুর ইউনিয়নের নিতাইরচক গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহতদের মধ্যে তোফাজ্জুল মিয়া, জিতু মিয়া, আব্দুল আহাদ, আদম আলী, সোহেল মিয়া, সানু মিয়া, নানু মিয়া, লিটন মিয়া, নুরুজ মিয়া, মারাজ মিয়া, হাবিবুর রহমান, এমদাদুল মিয়া, শিষ আলী, পারভেজ মিয়া, বিলাল মিয়া এবং আক্কাস মিয়াসহ অনেকের নাম জানা গেছে। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত দুই দিন আগে নিতাইরচক গ্রামের নানু মিয়ার বাড়ি থেকে একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটে। ওই চুরির সঙ্গে রাজিউড়া ইউনিয়নের জয়রামপুর গ্রামের এক যুবকের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ও কথা কাটাকাটি শুরু হয়।

পরিস্থিতি শান্ত করতে স্থানীয় মুরুব্বিরা শুক্রবার সকালে একটি সালিশি বৈঠকের আয়োজন করেন। কিন্তু সালিশে বসে মীমাংসা করার পরিবর্তে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ওসির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি শান্ত করতে সক্ষম হয়।

ওসি জাহিদুল হক জানান, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পুনরায় কোনো সংঘর্ষ বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

   

About

Popular Links

x