সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে উপজেলা সদরের থানা ভবনের সামনের সড়কে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলা সদরে পৃথক দুটি মিছিল বের করে স্থানীয় বিএনপির দুইটি পক্ষ।
মিছিল দু’টি থানার সামনের সড়কে মুখোমুখি হয়। এ সময় একপক্ষ আরেকপক্ষকে রাস্তা ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। এতে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ এসে থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যেই দুই পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। পড়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে অন্তত ১২ জন আহত হন। এর মধ্যে পাচঁজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা বিএনপির একপক্ষে আছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, জুলফিকার চৌধুরীসহ অন্যরা। অন্যপক্ষে আছেন যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার ও আবদুল মালিকসহ অন্যরা।
মাসুম মাহমুদ তালুকদার বলেন, ‘‘আমাদের মিছিল শান্তিপূর্ণ ছিল। চারজন যুগ্ম আহবায়কসহ বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী ছিলেন। তারা আমাদের মিছিলের পথরোধ করে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের তিন-চারজন আহত হয়েছেন।’’
অপরপক্ষের উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী বলেন, ‘‘তারা মিছিল শেষে উপজেলা পার্কে সমাবেশ করছিলেন। তখন প্রতিপক্ষের লোকজন এসে সেখানে মিছিল-স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে উত্তেজনা এবং পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।’’
জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী বেলা দুইটায় বলেন, ‘‘মূলত দুটি মিটিল মুখোমুখি হওয়ার পরই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারি হয়েছে। এখনো দুই পক্ষ দুই জায়গায় অবস্থান করছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে।’’



