Friday, June 12, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

শিক্ষামন্ত্রী: নতুন পাঠ্যক্রমের ওপর জঙ্গি হামলা হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চায়। স্মার্ট নাগরিক গড়তে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। স্মার্ট নাগরিক তৈরিতে সহায়ক শিক্ষাক্রম নিয়ে সরকার কাজ করছে। একটি মহল এই শিক্ষাক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:২৬ পিএম

নতুন পাঠ্যক্রমের ওপর জঙ্গি হামলা হয়েছে বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, “নতুন পাঠ্যক্রমে যা নেই তা উপস্থাপন করা হচ্ছে। এডিট করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। নতুন বইগুলো পরীক্ষামূলক সংস্করণ করা হচ্ছে।”

শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) চতুর্থ সমাবর্তনে চ্যান্সেলরের মনোনীত প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চায়। স্মার্ট নাগরিক গড়তে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। স্মার্ট নাগরিক তৈরিতে সহায়ক শিক্ষাক্রম নিয়ে সরকার কাজ করছে। একটি মহল এই শিক্ষাক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়।”

প্রতিটি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, “যেসব বিশ্ববিদ্যালয় আছে, তারা সিটের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করছে না। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আগামীতে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিতে একটি পরীক্ষা নেওয়া হবে। আগামীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিশ্বমানের দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। আমাদের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় যেতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক ড. হাসিনা খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর আনোয়ার হোসেন। 

অনুষ্ঠানে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী নাবিল আহমেদ, ঝিনাইদহ-৩ আসনের এমপি শফিকুল আজম চঞ্চল, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, সামরিক-বেসামরিক কমকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সমাবর্তন বক্তা অধ্যাপক ড. হাসিনা খান বলেন, “আমাদের দেশকে এগিয়ে নিতে হলে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। এক রোমাঞ্চকর অনুভূতির মধ্য দিয়ে গবেষণার সময় অতিবাহিত হয়। গবেষণায় আসলে নতুন নতুন বিষয় জানার সুযোগ রয়েছে। ফলে যাদের সুযোগ আছে তাদের গবেষণায় আসতে হবে।”

সমাবর্তনে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে এক হাজার ৮৩৪ জন গ্র্যাজুয়েট অংশ নেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের বাবা-মা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এবারের সমাবর্তনে ২২ জন গ্র্যাজুয়েট চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক, ২৬ জন ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড এবং ৯ জন ডিন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

   

About

Popular Links

x