Friday, July 17, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এক কেজি আলুর দাম ৪০০ টাকা!

ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসবের প্রথা পালনের জন্য অনেকে আকাশচুম্বী দামেও নতুন আলু কিনতে কার্পণ্য করেননি

আপডেট : ১৮ নভেম্বর ২০২১, ১১:০৭ পিএম

বগুড়ায় নবান্ন উৎসব উপলক্ষে শহরের ফতেহআলী ও রাজাবাজারে অন্যান্য নতুন শাক-সবজির পাশাপাশি উঠেছিল “পাকরি” আলু। তবে দাম ছিল আকাশছোঁয়া। প্রতি কেজি এ নতুন আলু বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা দরে। প্রথা পালনের জন্য অনেকে আকাশচুম্বী দামেও নতুন আলু কিনতে কার্পণ্য করেননি সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

বগুড়া শহরের রাজাবাজার আড়ৎদার ও সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ জানান, প্রতি বছর অগ্রহায়ণের প্রথম দিনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নবান্ন উৎসব পালন করে থাকেন।

তিনি আরও জানান, প্রতি বছর নবান্নের দিনে বাজারে নতুন আলু উঠে এবং উচ্চ দামে বিক্রি হয়ে থাকে। 

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) শহরের দুটি বড় বাজারে বিক্রির জন্য ৩-৪ মণ নতুন পাকরি আলু আনা হয়েছিল। প্রতি কেজি আলু ৩০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ আলু কিনতে অনেকে বাজারে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। প্রথা পালনে অনেকে উচ্চ দামে আলু কিনেছেন। বাজারে পুরাতন আলু ২০-২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

তবে বাজারে অন্যান্য শাক-সবজির দাম অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানান তিনি।

ফতেহ আলী বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী শামসুল হক ও রাজাবাজারের বিনয় রাজ জানান, নবান্নের দিন আলুর দাম বেশি হয়। এ দিনের উৎসবকে সামনে রেখে কৃষকরা অধিক লাভের আশায় সামান্য কিছু আলু চাষ করেন। বেশি দামে কেনা হয় বলেই বেশি দামে বিক্রি করা হয়ে থাকে। এতে তাদেরও বাড়তি আয় হয়।

রাজাবাজারে আলু কিনতে আসা বিনীতা রায় জানান, তিনি ২০০ টাকায় আধা কেজি আলু কিনেছেন। উৎসব পালনের জন্য বেশি দামে আলু কিনতে কষ্ট হয়নি। 

শহরের চেলোপাড়ার সুকুমার ও চন্দন জানান, প্রতিটি আলুর দাম ১৫-২০ টাকা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে নবান্ন অনেক বড় উৎসব। তাই তারা বেশি দামে আলু কিনেছেন।

শহরের মালতিনগরের কল্যাণ দাস জানান, নবান্নের দিনে সকল শাক-সবজির দাম বেশি হয়ে থাকে। তাই বলে কখনও এক কেজি আলু ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়নি। এবার কৃষকরা অধিক মুনাফা করছেন।

   

About

Popular Links

x