জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২ আগস্ট) তারেককে ৯ ও জোবাইদার তিন বছর কারাদণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর বিশেষ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।
চিফ স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোশাররফ হোসেন কাজল ঢাকা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের পক্ষে তিনি মামলা পরিচালনার দায়িত্বে আছেন।
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে তারেক রহমান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলাটি করে দুদক। তখন তারেক গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।
মামলায় গত ১৩ এপ্রিল তারেক দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এতে বিরুদ্ধে ২ কোটি ৭৪ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে তারেক রহমানের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত উৎস থেকে অর্জিত ৩৫ লাখ টাকার সম্পদ তাদের বৈধ উৎস থেকে অর্জন প্রমাণে ভিত্তিহীন রেকর্ড ও বক্তব্য উপস্থাপনে সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
২৪ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সাবেক উপপরিচালক তৌফিকুল ইসলাম আদালতে সাক্ষ্য দেন। মামলার ৫৬ সাক্ষীর মধ্যে ৪২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। গত ২৭ জুলাই দুদকের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সেদিন আদালত রায় ঘোষণার জন্য ২ আগস্ট তারিখ ধার্য করেন।
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত চারটি মামলায় রায় এসেছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে দুই বছর, অর্থ পাচারের দায়ে সাত বছর, জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছর এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড মামলায় যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয় তাকে। তবে, জোবাইদার বিরুদ্ধে এটিই একমাত্র মামলার রায় বলে জানিয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা।



