শাটল ট্রেনের ছাদে করে যাওয়ার সময় গাছের ধাক্কায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিন ছাত্রের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।
তারা হলেন- আমজাদ হোসেন সোহাগ (১৮), খলিলুর রহমান (২২) ও অংসইনু মারমা (২১)।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) চমেক পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. নূরুল আলম আশিকের বরাতে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলা ট্রিবিউন জানায়, দুর্ঘটনায় আহত ১৬ ছাত্রকে রাতেই চমেক হাসপাতালে আনা হয়। তাদের প্রথমে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি দেওয়া হয়। এর মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনজনকে রাতেই চিকিৎসকের পরামর্শে আইসিইউতে হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চবিগামী একটি শাটল ট্রেন চৌধুরীহাট এলাকায় পৌঁছালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ট্রেনের ছাদে থাকা অন্তত ২০ জন ছাত্র আহত হন। ঘটনার জেরে রাত ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে ভাঙচুর ও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নুরুজ্জামান বলেন, “শাটল ট্রেনের ভেতরে জায়গা না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ছাদে যাতায়াত করেন। কয়েকদিন আগেই চৌধুরীহাট এলাকার একটি গাছের ঢাল কিছুটা কাত হয়ে পড়ে। এতে বৃহস্পতিবার বিকেলেও ছাদে থাকা তিন শিক্ষার্থী আহত হন। রাতে অন্ধকার থাকায় ক্যাম্পাসগামী ট্রেনের ছাদে থাকা শিক্ষার্থীদের গাছের ঢালের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থলে তিনজন ট্রেন থেকে পড়ে যান। কমপক্ষে ২০ জনের মতো আহত হন।”
বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি শাটল ট্রেন প্রতিদিন মোট ১৪ বার চট্টগ্রাম শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে। প্রতিটি শাটল ট্রেনে ১০টি করে বগি আছে। তবে শিক্ষার্থীর তুলনায় বগি কম হওয়ায় ট্রেনের ছাদে করে আসা যাওয়া করে অনেক শিক্ষার্থী।



বগি সংকটে শাটলের ছাদে শিক্ষার্থীরা: গাছের ধাক্কায় আহত ২০, মধ্যরাতে উত্তাল চবি