Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যমুনা নদীতে রেলসেতুর কাজ শেষ পর্যায়ে, চালু হতে পারে ডিসেম্বরে

এ সেতু দিয়ে ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে প্রতিদিন অন্তত ৮৮টি ট্রেন চলাচল করতে পারবে

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০২:১৬ পিএম

যমুনা নদীর ওপর দেশের দীর্ঘতম রেলওয়ে সেতুর কাজ ৯৪ শতাংশ শেষ হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ করে উদ্বোধনের পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ।

জাপান এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের নির্মাণাধীন এই সেতুতে সব কটি স্প্যান বসানো শেষ হয়েছে। সেতুটির টাঙ্গাইলের অংশের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে এবং সিরাজগঞ্জের পশ্চিম প্রান্তেও কাজ শেষের দিকে।

ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাকসহ এ রেলসেতুর সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে যমুনার দুই প্রান্তে দুটি ভাগে কাজ হচ্ছে। টাঙ্গাইল প্রান্তে ২৭ পিলার এবং সিরাজগঞ্জ প্রান্তে ২৩ পিলারসহ ৫০ পিলারের নির্মাণকাজ দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী আর কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে চলছে।

সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম স্টেশন আধুনিকায়নের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। রেলসেতুটি হবে ডাবল লাইনের। এ সেতু দিয়ে ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে প্রতিদিন অন্তত ৮৮টি ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

যমুনা রেলসেতু প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ইতিমধ্যে রেলসেতুর কাজ প্রায় ৯৪ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে সেতুর পশ্চিমপাড়ের স্টেশন ও প্ল্যাটফর্মের কিছু কাজ চলমান রয়েছে। এ ছাড়া সেতুর ওপরে পশ্চিমপাড়ের অংশে কিছু লেভেলিং অ্যালাইমিং ও ট্র্যাক বসানোর কাজ রয়েছে। কাজগুলো শেষ হলে টেস্টিং করার পর কমিশনিংসহ ট্রেন চালু করার কিছু নিয়ম শেষ করে ডিসেম্বরের দিকে উদ্বোধন করার সম্ভাবনা রয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যমুনা রেলসেতু নির্মাণে প্রথমে ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। কিন্তু পরে এর মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়। এতে প্রকল্পের ব্যয়ও বৃদ্ধি করা হয়। পরে ব্যয় বেড়ে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা দাঁড়ায়। এর মধ্যে দেশীয় অর্থায়ন ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। আর জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ দিয়েছে ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা, যা প্রকল্পের ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ।

এদিকে, রেলসেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হলে একদিকে যেমন গোটা দেশ রেল যোগাযোগের একটি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হবে। অপরদিকে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ খাতে সড়কপথের পাশাপাশি রেল যোগাযোগে আমূল পরিবর্তন ঘটবে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই রেলসেতু চালু হলে বাড়বে যাত্রীসংখ্যাও। পণ্য পরিবহনে নতুন মাত্রা যোগ হবে।

   

About

Popular Links

x