টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি, নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই ও চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নিম্নাঞ্চলের প্রায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ অক্টোবর) পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার ভোগাই নদীর নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৭২ সেন্টিমিটার, নালিতাবাড়ি পয়েন্টে ৫৬ সেন্টিমিটার এবং চেল্লাখালী নদী বিপৎসীমার ৫২৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে।
পাহাড়ি ঢলে ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর কিছু জায়গার বাঁধ ভেঙ্গে উপজেলা সদর বাজার, রাস্তাঘাট ও সেখানকার মানুষের আবাদি জমি তলিয়ে গেছে। স্থানীয়দের বসতবাড়িতে পানি প্রবেশ করছে। চরম ভোগান্তীতে রয়েছে সেখানকার মানুষজন।

এছাড়াও শ্রীবরদি থানা সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে শতশত পুকুর ও আবাদি জমি।
শেরপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জেলার পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ১৬.৫৫ মিলিমিটার, পাহাড়ি নদী চেল্লাখালির পানি ২১.৯৫ মিলিমিটার ও ভোগাই নদীর ২টি পয়েন্টের পানি ২১.৯৫ মিলিমিটার এবং ১৭.১৪ মিলিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও অপর ২টি পাহাড়ি নদী মহারশি ও সোমেশ্বরীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা ভারি বর্ষণের ফলে এসব নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে নদীর বাঁধ ভেঙে ও বাঁধ উপচে প্রবল বেগে ঢলের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।



