সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত আগস্টের মাঝামাঝিতে শুরু হওয়া দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় ১৪ হাজার ৪২১ কোটি টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে নোয়াখালী জেলা।
রবিবার (৬ অক্টোবর) ধানমন্ডিতে অবস্থিত সিপিডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।
সিপিডির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পূর্বাঞ্চলের ওই বন্যায় সামগ্রিকভাবে মোট ক্ষয়ক্ষতির ৫৩% হয়েছে বেসরকারি খাতে। আর ৪৭% হয়েছে সরকারি খাতে। সবচেয়ে বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে নোয়াখালীতে ২৯.০৭%, কুমিল্লায় ২৩.৫১%, ফেনীতে ১৮.৬১% ও চট্টগ্রামে ১১.৬৩%। এছাড়াও নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ফেনীতে অসামাঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষতি হয়েছে।
কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলাসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ক্ষয়ক্ষতি ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন নির্বাহী পরিচালক।
নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা বলেন, “সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যায় ১৪ হাজার ৪২১ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে, যা জিডিপির ২৬%। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষি ও বন খাত, যা ৫ হাজার ১৬৯ কোটি টাকার সমান।”
তিনি আরও বলেন, “অবকাঠামো খাতে ৪ হাজার ৬৫৩ কোটি টাকার এবং আবাসন খাতে ২ হাজার ৪০৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। নোয়াখালী জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ৪ হাজার ১৯১ কোটি টাকা, কুমিল্লা জেলায় ক্ষতি হয়েছে ৩ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা।”
উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে আসা পানির প্রবাহে শুরু হওয়া বন্যায় দেশের ১১টি জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কৃষি ও বন খাত।



