বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়েছেন ২ শতাধিক আসামি।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে এ আদেশ দেন ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়া।
এদিন মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ ও ৫ শতাধিক আসামির জামিন শুনানির দিন জন্য ধার্য করা ছিল। রাষ্ট্রপক্ষ মেজর সৈয়দ মো. ইউসুফ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর হাজিরা দাখিল করেন। পরে সাড়ে ১১টার পর আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ পারভেজ হাসান সাক্ষ্য পেছানোর আবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মো. বোরহান উদ্দিন সাক্ষ্য নেওয়ার প্রার্থনা করেন। পরে ১১টা ৪৭ মিনিটে সৈয়দ মো. ইউসুফ সাক্ষ্য দেওয়া শুরু করেন। সেদিন পিলখানায় কী ঘটেছিল, তিনি কীভাবে বেঁচে ফিরেছেন, এসব বিষয় সাক্ষ্যে তুলে ধরেন। প্রায় দুই ঘণ্টা শেষে তার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।
এরপর প্রায় ৫ শতাধিক আসামির পক্ষে জামিন শুনানি হয়। এদের মধ্যে ছিলেন হত্যা মামলায় ২৭৭ জন খালাসপ্রাপ্ত, ২৫৬ জন ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত- যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এছাড়াও মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত কয়েকজন আসামি জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিদের পক্ষে জামিন শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ পারভেজ হাসান, আমিনুল ইসলাম, ফারুক আহাম্মদ। রাষ্ট্রপক্ষে বোরহান উদ্দিন জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ২ শতাধিক আসামিকে জামিন দেন।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে ২টি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে ছিল।



