জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী চিকিৎসা শেষে আজ শনিবার বাড়ি ফিরেছে। তারা হলো আয়ান খান (১২) ও রাফসি আক্তার রাফিয়া (১২)।
শনিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক নাসির উদ্দীন।
তিনি বলেন, “আজ আমরা হাসপাতাল থেকে দুই শিশুকে রিলিজ দিচ্ছি। আশা করছি, আগামী সপ্তাহে আরও ১০ জনকে ছাড়পত্র দিতে পারব।”
তিনি আরও বলেন, “দুঃখজনকভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুইজন মারা গেছে। বর্তমানে হাসপাতালে ৩৬ জন চিকিৎসাধীন, যাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং ৯ জনের অবস্থা গুরুতর।”
চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, “বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড কাজ করছে। আমাদের ছয়টি ইউনিটের চিফদের নেতৃত্বে চিকিৎসা পরিচালিত হচ্ছে। ভারতে থেকে দুজন ডাক্তার ও দুজন নার্স, চীন থেকে তিনজন ডাক্তার ও দুজন নার্স, এবং সিঙ্গাপুর থেকে নয়জন এসেছেন- তাদের মধ্যে তিনজন ডাক্তার, বাকিরা সাপোর্ট স্টাফ।”
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই দুপুর ১টা ৬ মিনিটে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান বীর উত্তম এ কে খন্দকার বিমান ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন কলেজের ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে।
এ ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসনে সরকারের পাশাপাশি দেশের বাইরে থেকেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল বার্ন ইনস্টিটিউটে সহায়তা করছে।



