মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৫.১ শতাংশে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।
সংঘাত দীর্ঘমেয়াদি হলে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে শঙ্কা জানিয়েছে সংস্থাটি। এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে এএফপি।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধ চলতে থাকলে ২০২৬ সালে প্রবৃদ্ধি কমে ৪.৭ এবং ২০২৭ সালে ৪.৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে।
এডিবির মূল্যায়নে বলা হয়েছে, উন্নয়নশীল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ২০২৬ ও ২০২৭ সালে আরও খারাপ হবে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান অর্থনীতিবিদ আলবার্ট পার্ক বলেছেন, "জ্বালানি আমদানিনির্ভর হওয়ায় এই অঞ্চলটি যুদ্ধের প্রভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। জ্বালানির দাম স্বাভাবিক হলেও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং কঠোর আর্থিক পরিস্থিতির কারণে স্থবিরতা ও মূল্যস্ফীতির চাপ দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।"
তার ভাষ্যমতে, "হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের নিয়ন্ত্রণ বা চাপের প্রভাব শুধু জ্বালানি খাতেই সীমাবদ্ধ নয়। এর প্রভাব দেখা যাবে আঞ্চলিক খাদ্য নিরাপত্তায়। চালের দাম তুলনামূলক কম থাকলেও সার ও ডিজেলের দাম বাড়ায় কৃষি খাতে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যবহার কমে ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।"
এডিবি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘ হলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৫.৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে।
এদিকে শুক্রবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার বিভিন্ন এলাকায় দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সরকারি কর্মসূচির আওতায় মাত্র ২০ পেসো (৩৩ সেন্ট) কেজিতে চাল পেতে ভীড় করেন সাধারণ মানুষ।



