Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মোস্তাফিজুর রহমান: যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের পেছনে আছে রাজনৈতিক-বাণিজ্যিক স্বার্থ 

বাংলাদেশের অর্থনীতি: উত্তরণকালীন সময়ে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ শীর্ষক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, শিশুশ্রম নিরসনে সহায়তা বা সহযোগিতার উদ্যোগ না নিয়ে রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আলোচনা প্রশ্নের জন্ম দেয়। এর পেছনে মানবিক উদ্বেগের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থও থাকতে পারে। 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডির এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। 

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন করে শুল্ক আরোপের বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ফোর্সড লেবারের কথা বলা হচ্ছে। এখানে দুটো জিনিস। এগুলো তারা তাদের লেন্স দিয়ে দেখার চেষ্টা করে। আমাদের দেশের বাস্তবতাকে তারা ঠিকমতো নেয় না। ইটভাটাসহ অন্যান্য জায়গায় শিশুশ্রম আছে। পারিবারিক প্রয়োজনে এটা যায়। কিন্তু এটাকে দেখিয়ে, এটার সুরাহা হিসেবে আমার দেশের রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে কি না, এটা হলো প্রশ্নের ব্যাপার।” 

তিনি আরও বলেন, “এখানে যদি এমন হতো- বাংলাদেশে শিশুশ্রম আছে আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটা সহায়তা তহবিল করেছে শিশুশ্রম যাতে না থাকে। কিন্তু এটা না করে যখন রপ্তানির ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানো হয় ১০ শতাংশ, তখনই প্রশ্নটা আসে। এটা কী শিশুশ্রমিকদের ওপর ভালোবাসার কারণে, না কি তারা যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিল (পাল্টাপাল্টি), যা তাদের আদালত বাতিল করলো। পরে তাদের প্রেসিডেন্ট বিশেষ ক্ষমতাবলে আরও ১০ শতাংশ করলো। যেটা ১৫০ দিন পর্যন্ত করলেন। যা আগামী জুলাইয়ে থাকবে না। তো এখানে ফোর্সড লেবার ইত্যাদি দেখিয়ে আবার ১০ শতাংশ যাতে করা যায়। সুতরাং এখানে অবশ্যই একটা রাজনৈতিক অর্থনীতি আছে।” 

প্রেস ব্রিফিংয়ে ‘২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি: উত্তরণকালীন সময়ে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। 

তিনি বলেন, “ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণের হার কিছুটা কমলেও তা প্রকৃত উন্নতির প্রতিফলন নয়; বরং ঋণ পুনঃতফসিল, পুনর্গঠন ও রাইট-অফের মতো পদক্ষেপের কারণে সংকট আড়াল হয়েছে।” 

   

About

Popular Links

x