সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের ফলে শিগগিরই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, “লেনদেনের ভারসাম্য পরিস্থিতির উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল হবে।”
সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।
মমতাজ বেগমের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, পরিশোধের ভারসাম্যবিষয়ক উন্নতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল করতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”
অর্থমন্ত্রী সংসদে বেশ কিছু ধাপ উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে মার্কিন ডলার ও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করা; রিজার্ভ পুনর্গঠনের জন্য সঠিক মূল্যে পণ্য আমদানি নিশ্চিত করা; বাণিজ্যিক ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রা ধারণের সীমা হ্রাস করা হচ্ছে। এছাড়াও ৫,০০০ ডলারের বেশি প্রবাস আয়ের উৎস প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা বাতিল করা হয়েছে। পাইপলাইনে থাকা বৈদেশিক অর্থায়ন ছাড়করণ ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।”
জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “স্থবির শিল্প সমস্যা সমাধানে ২০০৯ সালে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০১০ ও ২০১২ সালে ২৭৯টি শোচনীয় অবস্থার পোশাক শিল্প এবং ২০১১ ও ২০২১৫ সালে ১০০টি শোচনীয় অবস্থার টেক্সটাইল শিল্পকে ঋণ বাতিলের সার্কুলার জারি করা হয়।”
ময়মনসিংহ-১১ আসনের সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহমেদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ‘কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতি ও কর্মসূচি’র আওতায় ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লী ঋণ খাতে ঋণ বিতরণের জন্য ৩৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।”



