দেশের সাধারণ মানুষ হিরো আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দেখতে চায় বলে দাবি করেছেন আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বলেছেন, “এ রকম বহু কথা বলছে ফোন করে। অফার আসলেই তো গ্রহণ করা সম্ভব না। উপদেষ্টা দিতে চাইলেও আমি নেব না।”
বুধবার (১৩ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা ইউএনবি’র ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করেন তিনি।
হিরো আলম বলেন, “গত দুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ আমাকে ফোন দিচ্ছেন। আমাকে নিয়ে পোস্ট করে বলা হচ্ছে যে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর চেয়ে হিরো আলম অনেক ভালো আছে। ফারুকী যদি হতে পারে, হিরো আলম কি দোষ করল?”
মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে উপদেষ্টা করার প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, “হিরো আলম কথা বলতে পারে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে। এগুলোই তো জনগণ চায়। ফারুকী ভাই কী হিসেবে উপদেষ্টা হলেন? জনগণ কেন কথাটা তুলে ধরছে? ফারুকী ভাই কি ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন? ছিলেন না। দেশের জনগণের জন্য তিনি কি কাজ করেছেন? তিনি নাটক-সিনেমা নিয়ে আছেন।”
তিনি বলেন, “দেশের কোনো জায়গায় দুর্যোগ হলে তাকে (ফারুকী) আমি এক পোটলা মুড়ি নিয়ে গিয়ে পাশে দাঁড়াতে দেখিনি। কোথাও একটা লোক বিপদে পড়লে তাদের প্রতিবাদমূলক কথা বলতে দেখিনি। কারণ তারা জানেন যদি দেশের মানুষের জন্য কথা বলেন, তাহলে তাদের নাটক-সিনেমা বন্ধ করে দেবে।”
তিনি বলেন, “ভিপি নুর (নুরুল হক নুর) ভাই, আন্দালিব রহমান পার্থ ভাই, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রুহুল কবির রিজভী এ রকম আরও যারা ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে ছিলেন, যারা আন্দোলনে শহিদ হয়েছেন, তাদের পরিবার থেকে (উপদেষ্টা) হতে পারতেন।”
বাংলাদেশের রাজনীতির প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, আজ পাঁচ বছরের জন্য আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে, আওয়ামী লীগ চলে গেলে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগকে পেটাচ্ছে। না হলে জেলখানায় ভরছে। আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপিকে পেটাচ্ছে, জেলে ভরছে। তাহলে রাজনীতি যারা করেন তাদের ভবিষ্যৎ কি? তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। বাংলাদেশের রাজনীতি বর্তমানে নোংরা হয়ে গেছে।



