স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক কেমন, তা বোঝা যায় রাতে ঘুমানোর ধরন দেখে। পরস্পরের থেকে কতটা দূরে বা কাছে তারা ঘুমাচ্ছেন, তা দেখে বোঝা যেতে পারে, পরের দিনটা কেমন যাবে।
সম্প্রতি ইংল্যান্ডের হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয় স্বামী-স্ত্রীর মানসিক ঘুমানোর ধরনের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের মিল সম্পর্কে একটি গবেষণা করেছেন যেখানে বিভিন্ন বয়সী দম্পতিদের ভালোবাসার জীবন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
এই গবেষণা থেকে উঠে আসা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
এক. বেশির ভাগ দম্পতি রাতে মুখোমুখি হয়ে ঘুমাতে পছন্দ করেন না। তাতে পরস্পরের গরম নিঃশ্বাস গায়ে পড়ে বলে, তারা দু’জনেই একই দিকে মুখ করে বা পরস্পরের উল্টো দিকে মুখ করে ঘুমাতে বেশি পছন্দ করেন।
দুই. যেসব দম্পতি পরস্পরের ১-২ ইঞ্চির মধ্যে ঘুমান, তারা নিজেদের নিয়ে সব চেয়ে বেশি খুশি। যারা ৩ ইঞ্চি বা তার বেশি দূরত্ব রেখে ঘুমান, তাদের মধ্যে অনেকেরই দাম্পত্য সুখের নয়।
তিন. কোনও কোনও দম্পতি ঘুমের শুরুতে পরস্পরকে স্পর্শ করে শুতে পছন্দ করেন। এই ধরনের দম্পতিদের মধ্যে ৯৮ শতাংশই তাদের সম্পর্ক নিয়ে খুশি। আর যাদের ঘুমের শুরুতে শরীরের কোনো স্পর্শ থাকে না, তাদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ সম্পর্ক নিয়ে খুশি।
চার. রাতে ঘুম ভাল না হওয়ার সঙ্গে পরের দিন কিভাবে শুরু হবে তার সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণা বলছে, যে সব রাতে মহিলাদের ভাল ঘুম হয় না, পরের দিন সকালে তাদের মেজাজ খারাপ থাকে। সকালটা শুরু হয় মনখারাপ নিয়ে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও রাতে ভালো ঘুম না হলে মেজাজ খারাপ হয়। কিন্তু তার প্রভাব দিনের শুরুতে না পড়ে, অন্য সময় বেশি মাত্রায় পড়ে।



