বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, স্নেহপূর্ণ আলিঙ্গনসহ অন্যান্য সহানুভূতিশীল অযৌন শারীরিক স্পর্শ আমাদের মানসিক উত্তেজনা, উদ্বেগ, ভীতি, অবসন্নতা ইত্যাদি কমাতে সাহায্য করে।
যখন কারও মন খারাপ থাকে বা কেউ কোনো মানসিক পীড়ার মধ্যে থাকে, তখন তার একটু বেশি সহানুভূতি ও ভালোবাসার প্রয়োজন হয়।
সহানুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই অন্যকে আলিঙ্গন করে থাকি। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে অনেক সময় খুব সাধারণ একটি আলিঙ্গন বহু দিনের পুরনো কষ্ট এবং হতাশা দূর করে দেয়।
মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, আলিঙ্গনের এমন প্রভাব রয়েছে যা একজন ব্যক্তির মানসিক অবস্থায় পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। হতাশা এবং কষ্ট ভুলিয়ে মনকে শান্ত করে দিতে পারে।
অন্যদিকে মার্কিন লেখক অ্যান হুডে বলেছিলেন, “হাজারটা অর্থপূর্ণ শব্দের চেয়ে একটি শক্ত আলিঙ্গন অনেক বেশি শক্তিশালী।”
আলিঙ্গন মনের ভয় দূর করে। আলিঙ্গনে রাখা উষ্ণ বুক নির্ভরতার অফুরন্ত উৎস। তাই, প্রিয়জনকে আলিঙ্গন করুন, কাছে টেনে নিন। আর এই কাজটি শুরু করতে পারেন আজ থেকেই। কারণ, আজ ৩ ডিসেম্বর “লেটস হাগ ডে” বা “চলো আলিঙ্গন করি” দিবস।
দিবসটির উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্রমতে, কেভিন জ্যাভরনি নামক এক জনের মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু হয়। দারুণ এ দিবস নানাভাবে পালন করা যেতে পারে। যার সঙ্গে আছে মান-অভিমান, ঝগড়া-বিবাদ, সব ভুলে আজ তাকে জড়িয়ে ধরুন। ভুলে যান সবকিছু।



