Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নিয়মিত গান শোনার এই উপকারিতার কথা আগে জানতেন?

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চাবিকাঠিও আছে গানের মধ্যেই

আপডেট : ২৪ জুন ২০২৫, ০৮:২৭ পিএম

ঘরে হালকা আলো জ্বলছে। পছন্দের গান বাজছে মৃদু শব্দে। ব্যথা-বেদনায় মন যতই ভারাক্রান্ত থাক, পছন্দের সুরে মন চনমনিয়ে ওঠে। গান শুনলে মন ভালো হয় তো বটেই, শরীরও চাঙ্গা থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত গান শুনলে মন এবং মস্তিষ্কের ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে শরীরে তো বটেই, মনের অসুখও কাছে ঘেঁষতে পারে না। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার চাবিকাঠিও আছে গানের মধ্যেই। গানের ‘‘নিরাময়ী” প্রভাব চিকিৎসাবিজ্ঞান, সংস্কৃতি ও ইতিহাসজুড়ে বেশ স্বীকৃত। আবেগের কারণে আমাদের মনের ওপর গানের গভীর প্রভাব রয়েছে। সুর যেমনই হোক না কেন, শক্তিশালী আবেগ জাগিয়ে তোলার এবং সুখ, প্রশান্তি আর নস্টালজিয়া তৈরি করার ক্ষমতা গানের রয়েছে।

নিয়মিত গান শুনলে শরীরের কী কী উপকার হতে পারে?

গবেষণা কী বলছে

গবেষণা অনুযায়ী, গান মস্তিষ্ককে ডোপামিন নিঃসরণ করতে উদ্দীপিত করে তোলে। ডোপামিন আনন্দ ও প্রাপ্তির অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ফলে মনমেজাজ ভালো করে, মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। গান মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবেও কাজ করে। বিশেষ করে ধ্রুপদী সঙ্গীত সৃজনশীলতা ও মনোযোগ বাড়ায়।

মানসিক উদ্বেগ কমায়

গানের সুর পৌঁছায় মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস পর্যন্ত। এটিই হলো আবেগের কেন্দ্র। গানের সুরে হাইপোথ্যালামাস উদ্দীপিত হয়, সেই সঙ্গে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল-এর হরমোন ক্ষরণও কমে যায়। এতে অবসাদ, মানসিক চাপও বশে আসে। মনের অন্ধকারও ধীরে ধীরে কমতে থাকে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে

হৃদস্পন্দন, নাড়ির গতি এবং রক্তচাপ যদি বেড়ে গিয়ে থাকে, তাহলে গানের সুরেই তা কমতে পারে। নিয়মিত গান শোনার অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদি অনেক ক্রনিক অসুখের হাত থেকে রেহাই দিতে পারে। কারণ মন যত ভালো থাকবে, ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণও তত বাড়বে। শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোও স্বাভাবিক ভাবে কাজ করবে। শরীরে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রাও ঠিক থাকবে।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে

গান মন এবং মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে। এতে স্নায়ুর চাপও কমে। স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। মনোযোগ ও একাগ্রতাও বাড়ে এতে। যেকোনো কাজে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়।

অনিদ্রা দূর করতে

শত ক্লান্তিতেও ঘুম আসে না? দুচোখ বুঝে শুয়ে না থেকে ভালো গান শুনুন। দিনে বার চারেক ১৫ মিনিট করে গান শুনুন। ঘুমোতে যাওয়ার আগে গান শুনতে পারেন। হালকা সুর শুনতে হবে। গানের সুরে ঘুম ভালো হয়। ঘুমের সময় চিন্তা, উদ্বেগ দূরে রাখতে গান শুনুন।

   

About

Popular Links

x