রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনার ক্ষত এখনও দগগগে। মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৬৫ জন। আহতদের বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
দুর্ঘটনাজনিত কারণে হতাহতের দিক দিয়ে স্মরণকালের মধ্যে এটি বেশ বড়সড় ঘটনা। আর শিশু হতাহতের দিকে এটি বোধহয় দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বীভৎস একটি দিন।
যেকোনো দুর্ঘটনা কিংবা মৃত্যুই অনাকঙ্ক্ষিত এবং বেদনাদায়ক। তবে সেটি যদি শিশুকেন্দ্রিক হয়, তবে তার বেদনা আরও গভীরতর হয়ে ওঠে। কারণ, মানুষ স্বভাবতই শিশুদের প্রতি বেশি সংবেদনশীল। আর শিশুরা নিজেরাও যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিংবা বীভৎস ঘটনা মোকাবিলার জন্য মানসিকভাবে ততটা শক্তিশালী নন; যতটা একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ পারেন।
শুধু দুর্ঘটনার সময়ে নয়, দুর্ঘটনা পরবর্তী সময়ের মানসিক ধাক্কা মোকাবিলায়ও শিশুরা থাকেন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। যেকোনো দুর্ঘটনাই প্রত্যক্ষ ক্ষতির পাশাপাশি পরোক্ষভাবেও কিছু প্রভাব রেখে যায়। আর এই পরোক্ষ প্রভাবের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যা অন্যতম।
ব্যক্তি যখন কোনো দুর্ঘটনা, সহিংসতা, দুর্যোগের শিকার হন, কিংবা মর্মান্তিকভাবে প্রিয় কারো মৃত্যু বা আহত হওয়া দেখেন; তখন সেটি তার মনের ওপর বেশ মারাত্মক রকমের ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
অর্থাৎ যেকোনো ধরনের ভীতিকর ও কষ্টদায়ক অভিজ্ঞতাই মানুষের মনে পরবর্তী সময়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। মানসিক স্বাস্থ্যের পরিভাষায় এটিকে বলা হয়, পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার বা পিটিএসডি।
দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি, নিহতদের স্বজন, প্রতক্ষ্যদর্শী, উদ্ধারকর্মী, সংবাদকর্মী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী; যে কেউই আক্রান্ত হতে পারেন এই সমস্যায়। আর সেই দুর্ঘটনা যখন শিশুকেন্দ্রিক, তখন সেটি আরও বেশির ভয়ের।
মাইলস্টোনের ছোট ছোট শিশুরা যারা আহত হয়েছেন, কিংবা যারা আহত হননি; তারা কেউই পিটিএসডির ঝুঁকির বাইরে নন। সহপাঠী হারানোর বেদনা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। একইভাবে বিভিন্ন বাহিনীর যেসব সদস্যরা মাইলস্টোনের ঘটনায় উদ্ধার কাজে নিযুক্ত ছিলেন, শিশুদের পোড়াদেহ এবং আর্তনাদ তাদের তাড়া করে ফিরতে পারে আরও বহুদিন। যেসব সংবাদকর্মী এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করেছেন, যেসব চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী তাদের সেবা দিয়েছেন; শিশুদের আর্তচিৎকার তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। হতাহত শিশুদের অভিভাবক, স্বজন, শিক্ষক, বন্ধু, প্রতিবেশী কেউই এই ঝুঁকির বাইরে নয়। এমনকি দুর্বলচিত্তের যেসব মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বীভৎস ছবি কিংবা ভিডিও দেখেছেন, তারাও হতে পারেন পিটিএসডিতে আক্রান্ত।
তাই আহতদের শারীরিক চিকিংসার পাশাপাশি তাদের মানসিক সুস্থতার বিষয়ে নজর দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নিহতদের স্বজন, প্রতক্ষ্যদর্শী, উদ্ধারকর্মী, সংবাদকর্মী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী সবার মানসিক সুস্থতার বিষয়ে নজর দেওয়া অনিবার্য। এমনকি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা না হলে, সেটি হতে পারে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য বড় হুমকি।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তি নিজে কোনো কিছুর শিকার না হয়েও চোখের সামনে প্রিয় কেউ বা সম্পূর্ণ অজানা কারো প্রতি ভয়াবহ কিছু ঘটতে দেখলেও তার পিটিএসডি’তে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস মেডিসিনের তথ্য বলছে, পিটিএসডি’তে আক্রান্ত হলে যে ঘটনার কারণে এটা হয়েছে একজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বারবার ওই ঘটনার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন এমন অনুভব করেন। কিংবা আবার ঘটতে যাচ্ছে এরকম আতঙ্কও বোধ করেন।
তবে, সবার ক্ষেত্রেই যে পিটিএসডি হবে তা নয়। ঘটনার ভয়াবহতা, ঘটনা মোকাবিলার মানসিক ক্ষমতার কতটুকু, আগে কোনো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ছিল কি-না; এমন বেশকিছু বিষয়ের ওপর নির্ভর করে কেউ পিটিএসডিতে আক্রান্ত হবেন কি-না বা মাত্রা কেমন হবে।
তবে পিটিএসডি যে ঘটনার পরপরই হবে এমনটা নয়। বেশিরভাগক্ষেত্রে ঘটনার তিন মাস পর কিংবা আরও পরে পিটিএসডি দেখা দিতে পারে। তবে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের যদি ঘটনার পরপরই দেওয়া হয় তাহলে পিটিএসডিতে আক্রান্তের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডারের উপসর্গ
আক্রান্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ঘটনাটি নিয়ে বারবার দুঃস্বপ্ন দেখেন; আবার জেগে থাকা অবস্থায় প্রায়ই ঘটনাচক্রের পুনরাবৃত্তি তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। এর ফলে ব্যক্তি প্রতিবারই তীব্র মানসিক আঘাত আর ভয় অনুভব করেন। এর ফলে ব্যক্তির নানা ধরনের শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়; যেমন- অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, বুক ধড়ফড় করা, গা গোলানো ভাব আর আতঙ্কিত হয়ে পড়া।
আক্রান্ত ব্যক্তি এমন সব আলোচনা, স্থান এবং পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন বা এড়িয়ে চলেন যা সেই দুর্ঘটনার স্মৃতি মনে করিয়ে দিতে পারে।
আক্রান্ত ব্যক্তি সব সময় সতর্ক থাকেন আর সুরক্ষিত পরিবেশেও বিপদের আশঙ্কা নিয়ে ভীত থাকেন। তার ঘুমে সমস্যা দেখা দিতে পারে; ঘুম কিংবা জেগে থাকা অবস্থায় মাঝে মধ্যে চমকে উঠতে পারেন।
আক্রান্ত ব্যক্তি নিজের বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের প্রতি আবেগ-অনুভূতিহীন হয়ে পড়তে পারেন এবং ক্রমশ যেকোনো কিছুর প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।
সংশ্লিষ্ট ঘটনা মনে করিয়ে দিতে পারে এমন যেকোনো কিছু শুনলে বা দেখলে তীব্র প্রতিক্রিয়া, আতঙ্ক, উদ্বেগ বোধ করেন।
পিটিএসডি’র প্রভাব
পিটিএসডি’তে আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে অন্যান্য মানসিক সমস্যা; যেমন- অবসাদ, তীব্র উদ্বেগ, মাদকাসক্তি কিংবা আত্মহত্যার চিন্তা দেখা দিতে পারে।
করণীয়
বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়টি এমনিতেই বেশ উপেক্ষিত। তাই, পিটিএসডি‘তে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। যে কারণে অনেক ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ এই সমস্যাটি চিহ্নিত হয় না।
আপনার পরিচিত কোনো ব্যক্তির মধ্যে যদি এই ধরনের কোনো উপসর্গ লক্ষ্য করেন তাহলে তার সঙ্গে সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করুন এবং তাকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে সহায়তা করুন। মনে রাখবেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসায় পিটিএসডি নিরাময়যোগ্য। আর অবহেলায় ঘটতে পারে আরও করুণ কোনো পরিণতি।
সতর্কতা হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চিকিৎসা এবং নিয়মিত কাউন্সেলিং-এর ব্যবস্থা করাটা জরুরি। এক্ষেত্রে পরিবার, স্বজন, বন্ধু, প্রতিবেশী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় ধরনের ট্রমার কোনো ঘটনা ঘটার পর তাৎক্ষণিকভাবে ধরে নিতে হবে সংশ্লিষ্টদের ভবিষ্যতে পিটিএসডি হতে পারে। পিটিএসডি প্রতিরোধে ট্রমা পরবর্তী সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তির পাশে থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তির বাড়তি যত্ন নিতে হবে। তার কোনো সহায়তা লাগবে কি-না, সেটি জানতে হবে এবং প্রয়োজন মেটাতে হবে। আক্রান্ত ব্যক্তির আবেগের প্রতি সমানুভূতি দেখাতে হবে। তকে কোনোভাবেই তার প্রতি করুণা প্রদর্শন করা যাবে না। তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। তার সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা করতে হবে।
এছাড়া পর্যাপ্ত ঘুম ও খাদ্যাভাসের দিকে নজর দিতে হবে। পিটিএসডির কোনো লক্ষণ দেখা দিলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
মনে রাখা প্রয়োজন – দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা গেলে অন্যান্য সমস্যার মতোই পিটিএসডির সমস্যাও দ্রুতই নিরাময় করা সম্ভব। আর চিকিৎসা শুরু করতে দেরি হলে সেটি জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
যেসব জায়গায় পাওয়া যায় মানসিক স্বাস্থ্য সেবা
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট: শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির বর্হিবিভাগ থেকে ১০টাকা টিকেট কেটে সেবা নেওয়া যায়। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ইনডোর, জরুরি বিভাগ ও বিশেষ ক্লিনিক।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়: রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি ব্লক ভবনের ১২ তলায় রয়েছে মনোরোগবিদ্যা বিভাগ। শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ব্যতিত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বর্হিবিভাগ থেকে টিকেটে কেটে সেবা নেওয়া যায়। এছাড়া বিভাগটিতে রয়েছে বৈকালিক সেবা। শুক্রবার ও ছুটির তিন ব্যতীত বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বর্হিবিভাগ থেকে সেবা নেওয়া যায়।
অন্যান্য সরকারি হাসপাতাল: এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহিদ সোহরাওয়ার্দি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে মানসিক রোগ বিভাগ। এসব হাসপাতালের বর্হিবিভাগ থেকে টিকেট কেটে নিতে পারবেন সেবা।
ঢাকার বাইরের সরকারি হাসপাতাল
রাজধানী ঢাকার বাইরে প্রত্যেকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মানসিক রোগ বিভাগ রয়েছে। এছাড়া জেলা পর্যায়ে প্রতিটি সদর হাসপাতালে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা সেবা দিয়ে থাকেন। আর ঢাকার বাইরে মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষায়িত হাসপাতাল হলো পাবনা মানসিক হাসপাতাল। এসব হাসপাতালের বর্হিবিভাগ থেকে টিকেট কেটে নিতে পারবেন সেবা।
ঢাকার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
মনের খবর ফর কেয়ার: সরসারি ডাক্তার দেখানোর পাশাপাশি অনলাইনে দেশে-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে মনের খবর ফর কেয়ারের মাধ্যমে অনলাইনে সেবা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ঠিকানা: নাভানা বারেক কারমেলা - লেভেল ৩, ১১ মগবাজার রোড, ঢাকা ১২১৭।
বাংলাদেশ সাইকিয়াট্রিক কেয়ার: দেশের খ্যাতনামা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও মনোবিদরা এখানে নিয়মিত রোগী দেখেন। ঠিকানা: লেভেল৬, সীমান্ত স্কয়ার শপিং সেন্টার, রোড-২, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।
ইনসাইট সাইকো-সোশ্যাল কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ: এই প্রতিষ্ঠানটি থেকেও মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং মনোবিদের পরামর্শ নেওয়া যাবে। ঠিকানা: ৭১/১, পায়োনিয়ার রোড, সেগুনবাগিচা।
আইকন কেয়ার লিমিটেড: মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ এবং মনোবিদের পরামর্শের জন্য এখানে যেতে পারেন। ঠিকানা: বাড়ি ৪৫, রোড ১৯, উত্তরা ১১।
মনের বন্ধু: মানসিক সমস্যার সমাধানে কাউন্সেলিং বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কাউন্সেলিং সেবার জন্য মনের বন্ধুতে যেতে পারেন। এছাড়া সেবা দেওয়ার জন্য রয়েছে মনের বন্ধু অ্যাপ। ঠিকানা: ২/১৬, ব্লক-বি, লালমাটিয়া।
এছাড়াও রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতাল, ল্যাবএইড হাসপাতাল, সেন্ট্রাল হাসপাতালসহ বেশকিছু হাসপাতালে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত রোগী দেখেন।
সংবাদকর্মীদের বিশেষ সেবা
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় সংবাদকর্মীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও কাউন্সেলিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই)। ০১৫৫২৩০১৩৭২ নম্বরে যোগাযোগ করে সংবাদকর্মীরা এই সেবা নিতে পারবেন।



