Saturday, August 22, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিতের নীতি বাতিল

অভিবাসী ভিসা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল আদালত

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া নীতি বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল আদালত।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। 

আদালত বলেছেন, “ভিসা স্থগিতের ওই নীতি নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।”

ম্যানহাটনের ইউএস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের বিচারক জেনেট ভার্গাস গত শুক্রবার এ রায় দেন। জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষিত নীতিটিকে তিনি ‘স্পষ্টতই বেআইনি’ এবং ফেডারেল অভিবাসন আইনের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন।

জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া ওই স্থগিতাদেশের আওতায় পড়েছিলেন বাংলাদেশ, পাকিস্তান, লাতিন আমেরিকা ও বলকান অঞ্চলের কয়েকটি দেশ এবং আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশের অভিবাসী ভিসাপ্রত্যাশীরা।

রায়ে ভার্গাস বলেন, “আবেদনকারীর জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা দেওয়া পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার এই নীতি ফেডারেল আইনে নির্ধারিত ব্যবস্থার সরাসরি পরিপন্থী।”

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, তালিকাভুক্ত দেশগুলোর আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার এবং স্থানীয়, অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পদের ওপর চাপ সৃষ্টি করার ঝুঁকি বেশি।

রয়টার্স জানিয়েছে, এই রায়ের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নিয়োগ দেওয়া বিচারক ভার্গাস অভিবাসী অধিকার সংগঠন, ভিসাপ্রত্যাশী এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার জন্য আবেদন করা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের করা মামলায় এ রায় দেন।

ট্রাম্প প্রশাসন জানুয়ারিতে এই নীতি কার্যকর করার সময় বলেছিল, এসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে এসে সরকারি ভাতা কিংবা অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছেন। তার দাবি, এসব পদক্ষেপের লক্ষ্য, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাড়ানো।

তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, প্রশাসনের কঠোর অভিবাসননীতির কারণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে এবং বিশেষ করে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি করছে।

   

About

Popular Links

x