স্কুইড গেম থেকে অনুপ্রাণিত ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি’তে ধস
বিনিয়োগকারীরা কয়েনটি কিনতে আগ্রহী হওয়ায় মূল্যও আকাশচুম্বী ছিল
দক্ষিণ কোরিয়ান ড্রামা স্কুইড গেমের একটি দৃশ্য সংগৃহীত
ট্রিবিউন ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৫৯ পিএমআপডেট : ০৯ জুন ২০২২, ০৫:৫৫ পিএম
দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সিরিজ “স্কুইড গেম” থেকে অনুপ্রাণিত ডিজিটাল টোকেন আসলে স্ক্যাম ছিল।
এদিকে, স্ক্যাম হিসেবে প্রকাশ পাওয়ার পরেই টোকেনের বাজার মূল্যে ধস নেমেছে। সোমবার (২ অক্টোবর) সকালে, স্কুইড মুদ্রার মূল্য ২ হাজার ৮৬০ ডলার থেকে শূন্যে নেমে এসেছে।
টোকেনটির নির্মাতারা ইতোমধ্যে সিস্টেম থেকে ৩৩ লাখ টোকেন সরিয়ে নিয়েছে বলে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এ ধরনের স্ক্যাম সাধারণত ক্রিপ্টো বিনিয়োগকারীদের কাছে “রাগ পুল” নামে পরিচিত। প্রথমে টোকেনের প্রবর্তক ক্রেতাদের আগ্রহী করে তোলে এবং এক পর্যায়ে টোকেনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়।
পরে তারা দ্রুত পণ্যটির তারল্য নষ্ট করে। যার কারণে কার্যকরভাবে টোকেনের মূল্য নষ্ট হয়ে বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা।
জানা গেছে, বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম গত মাসে নতুন এই ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রচার করেছিল। বিনিয়োগকারীরা কয়েনটি কিনতে আগ্রহী হওয়ায় টোকেনের মূল্যও আকাশচুম্বী ছিল।
এই প্রকল্পের টুইটার অ্যাকাউন্টটি বর্তমানে “স্বাভাবিক কার্যকলাপের” জন্য টুইটার স্থগিত করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টটিতে ৫৭ হাজারেরও বেশি অনুসারী ছিল। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ৭১ হাজারেরও বেশি গ্রাহক রয়েছে।
স্কুইড টোকেনটি নেটফ্লিক্সে প্রচারিত “স্কুইড গেম” সিরিজ থেকে অনুপ্রাণিত। যা একটি অনলাইন গেমের মুদ্রা হিসেবে দেখানো হয়েছিল। যেখানে অর্থের জন্য ভয়ংকর সব খেলা খেলতে বাধ্য হয়েছেন এমন একদল লোকের গল্প দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে বিবিসি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কিছু ক্রিপ্টো বিশেষজ্ঞ আগেই বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করেছিলেন, এটি একটি স্ক্যাম হতে পারে।
স্কুইড গেম থেকে অনুপ্রাণিত ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি’তে ধস
বিনিয়োগকারীরা কয়েনটি কিনতে আগ্রহী হওয়ায় মূল্যও আকাশচুম্বী ছিল
দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সিরিজ “স্কুইড গেম” থেকে অনুপ্রাণিত ডিজিটাল টোকেন আসলে স্ক্যাম ছিল।
এদিকে, স্ক্যাম হিসেবে প্রকাশ পাওয়ার পরেই টোকেনের বাজার মূল্যে ধস নেমেছে। সোমবার (২ অক্টোবর) সকালে, স্কুইড মুদ্রার মূল্য ২ হাজার ৮৬০ ডলার থেকে শূন্যে নেমে এসেছে।
টোকেনটির নির্মাতারা ইতোমধ্যে সিস্টেম থেকে ৩৩ লাখ টোকেন সরিয়ে নিয়েছে বলে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এ ধরনের স্ক্যাম সাধারণত ক্রিপ্টো বিনিয়োগকারীদের কাছে “রাগ পুল” নামে পরিচিত। প্রথমে টোকেনের প্রবর্তক ক্রেতাদের আগ্রহী করে তোলে এবং এক পর্যায়ে টোকেনের বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়।
পরে তারা দ্রুত পণ্যটির তারল্য নষ্ট করে। যার কারণে কার্যকরভাবে টোকেনের মূল্য নষ্ট হয়ে বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুই অবশিষ্ট থাকেনা।
জানা গেছে, বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম গত মাসে নতুন এই ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রচার করেছিল। বিনিয়োগকারীরা কয়েনটি কিনতে আগ্রহী হওয়ায় টোকেনের মূল্যও আকাশচুম্বী ছিল।
এই প্রকল্পের টুইটার অ্যাকাউন্টটি বর্তমানে “স্বাভাবিক কার্যকলাপের” জন্য টুইটার স্থগিত করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টটিতে ৫৭ হাজারেরও বেশি অনুসারী ছিল। অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের টেলিগ্রাম চ্যানেলে ৭১ হাজারেরও বেশি গ্রাহক রয়েছে।
স্কুইড টোকেনটি নেটফ্লিক্সে প্রচারিত “স্কুইড গেম” সিরিজ থেকে অনুপ্রাণিত। যা একটি অনলাইন গেমের মুদ্রা হিসেবে দেখানো হয়েছিল। যেখানে অর্থের জন্য ভয়ংকর সব খেলা খেলতে বাধ্য হয়েছেন এমন একদল লোকের গল্প দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে বিবিসি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কিছু ক্রিপ্টো বিশেষজ্ঞ আগেই বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করেছিলেন, এটি একটি স্ক্যাম হতে পারে।
বিষয়: