Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতা রোধে খাওয়ার ওষুধ অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র

মুখে খাওয়ার এই ওষুধ মাত্র তিন দিনে বিষণ্ণতার লক্ষণ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করতে পারে

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৩, ০৬:৪৫ পিএম

প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতা রোধে খাওয়ার জন্য ওষুধের অনুমোদন দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ৪ আগস্ট ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এ অনুমোদন দেয়।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বছরে প্রতি সাতজন মায়ের একজন প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতায় ভোগেন। এর চিকিৎসায় এতদিন ইনজেকশন দেওয়া হতো।

ব্রেক্সানোলোন নামের ইনজেকশনের দাম ছিল প্রায় ৩৪,০০০ ডলার।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের দুই ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সেজ থেরাপিউটিকস ও বায়োজেন জুর্জুভা নামের একটি মুখে খাওয়ার ওষুধ নিয়ে গবেষণা করে।

কেমব্রিজের ম্যাসাচুসেটস শহরের দুই প্রতিষ্ঠান সেজ থেরাপিউটিকস ও বায়োজেনের কর্তৃপক্ষের আশা, এ বছরই ওই ওষুধ অনুমোদন পাবে। এটির মূল্য এখনো ঠিক করা হয়নি।

সেজ থেরাপিউটিকস ও বায়োজেন এক বিবৃতিতে বলছে, ইউএস ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনের পর এ বছরের শেষদিকেই এ ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত শুরু হবে।

গবেষণার সময় দেখা যায়, মুখে খাওয়ার এই ওষুধ মাত্র তিন দিনে বিষণ্ণতার লক্ষণ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করতে পারে। শেষ ওষুধটি খাওয়ার পর চার সপ্তাহ পর্যন্ত ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া শরীরে থেকে যায় বলেও জানায় এফডিএ।

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে, ঘুম ঘুম ভাব, মাথা ঘোরা, ডায়রিয়া, ক্লান্তি, সাধারণ সর্দি এবং মূত্রনালীর সংক্রমণ।

এছাড়া এ ওষুধ খাওয়ার সময়ে গাড়ি চালানোর মত মনসংযোগের কাজে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটতে পারে। এজন্য ওষুধের মোড়কে সতর্কবার্তা দেওয়া থাকবে।

এফডিএ এর সেন্টার ফর ড্রাগ ইভালুয়েশন অ্যান্ড রিসার্চ এর সাইকিয়াট্রি বিভাগের প্রধান টিফানি ফারচিওনি বলেন, “প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতার নারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুতর একটি সমস্যা। এটি তাদের জীবনের ওপর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিষণ্নতায় ভোগা নারীরা বিষাদ, অপরাধবোধ ও হতাশায় ভুগতে পারেন। এমনকি তারা নিজের বা সন্তানের ক্ষতি করার কথাও ভাবতে পারেন।”

বছরে প্রতি সাতজন মায়ের একজন প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতায় ভোগেন/ফাইল ছবি/সংগৃহীতআর এটির প্রভাব সন্তানের ওপরও পড়তে পারে। বিশেষ করে মা ও সন্তানের বন্ধন, সন্তানের শারীরিক, মানসিক গঠনেরও ওপরে এর প্রভাব পড়তে পারে। তাই তাদের এ সংক্রান্ত চিকিৎসা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।”

   

About

Popular Links

x