চার বছর পর তাইওয়ানে সরাসরি আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় হাইকুই। রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাইওয়ানের সুদূর দক্ষিণ-পূর্বে পাহাড়ি এবং অল্প জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আছড়ে পড়ে হাইকুই। পরে ঘূর্ণিঝড়টি দ্বীপের দক্ষিণ অংশে চলে যায়।
হাইকুই তাইওয়ানে প্রবেশ করার পরই হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন। তাইওয়ানে এখন প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। প্রবল হাওয়াও বইছে। বন্যার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
হাইকুই আছড়ে পড়ার আগেই চার হাজার মানুষকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যে জায়গায় এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছে, সেই জায়গাটা মূলত পাহাড়ি এলাকা। সেখানে মানুষের বসবাস কম। তাও মানুষকে পাহাড়ের দিকে না যাওয়ার আবেদন করা হয়েছে। সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতেও মানা করে দেয়া হয়েছে।
সেই সঙ্গে দুইশটি বিমান বাতিল করেছে তাইওয়ান। স্কুল ও কলেজের ছুটি দেওয়া হয়েছে। অফিসও একদিনের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, শনিবার হংকং ও দক্ষিণ চীনে ঘূর্ণিঝড় সাওলা আছড়ে পড়ে। তার তুলনায় হাইকুই কম শক্তির। তাইওয়ান খাড়ি পেরিয়ে এই ঝড়ের চীনে ঢোকার কথা।
এদিকে টাইফুন হাইকুইয়ের জেরে সোমবার ভোরে চীনের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চীনের উপকূলীয় প্রদেশ ফুজিয়ান ও গুয়াংডংয়ের আশপাশে প্রবল বাতাস ও বিশাল ঢেউয়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে এবং সমুদ্রে চলাচলরত জাহাজগুলোকেও সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।



