তাইওয়ানের নির্বাচন নিয়ে তাইওয়ান-চীন উত্তেজনায় বর্তমানে উত্তাল পূর্ব এশিয়া। এরমধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন উচ্চক্ষমতাযুক্ত ইঞ্জিনের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া।
তবে উত্তর কোরিয়া দাবি করেছে, “তাদের এই ক্ষেপণাস্ত্র পূর্ব এশিয়ার কোনো দেশের কাছে বিপদের কারণ হবে না। আঞ্চলিক পরিস্থিতির সঙ্গে এর কোনো যোগ নেই।”
গত নভেম্বরে গুপ্তচর-উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া। তারপর থেকে এই অঞ্চলে উত্তেজনা অনেকটাই বেড়েছে।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেএনসিএ জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া মধ্যবর্তী সলিড ফুয়েল ব্যালেস্টিক মিসাইল সফলভাবে পরীক্ষা করেছে। এতে প্রতিবেশী কোনো দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না।
রবিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে এই পরীক্ষা করা হয়। এর সঙ্গে হাইপারসনিক ম্যানুভারেবল কন্ট্রোলড ওয়ারহেড ছিল।
দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্রটি এক হাজার কিলোমিটার দূরে ইস্ট সি-তে গিয়ে পড়ে। সিউল, ওয়াশিংটন ও টোকিওর বিশেষজ্ঞরা এখন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
কিম জং উনের দেশটি নভেম্বরে জানিয়েছিল, তারা মধ্যবর্তী নতুন সলিড ফুয়েল ইঞ্জিনের ব্যালেস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করবে।
ডিসম্বরের মাঝামাঝি উত্তর কোরিয়া হসং ১৮ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে। তারপর এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হলো।
এই সলিড ফুয়েল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হলো উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটা যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে পারবে।
নভেম্বরে উত্তর কোরিয়া মহাকাশে একটি গুপ্তচর উপগ্রহ পাঠায়। তখনই তারা ঘোষণা করে, পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা অনেক বাড়ানো হবে। এই নিয়ে ওই অ়ঞ্চলে প্রবল উত্তেজনা দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞরা তখন বলেছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচন হবে এপ্রিলে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিবাচন হবে নভেম্বরে। দুইটি নির্বাচনের আগে উত্তর কোরিয়া ব্যালেস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করে দেখবে।



