Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নাইজার থেকে সেনা প্রত্যাহারে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সেনাদের তাড়াতে নাইজারে আন্দোলন করছেন দেশটির হাজারো নাগরিক

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৪, ১১:০৬ পিএম

নাইজারের জনগণের দাবির মুখে দেশটি থেকে এক হাজারেরও বেশি সেনা সরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেছেন, ওয়াশিংটনে নাইজারের প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠককালে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারি কার্ট ক্যাম্পবেল সৈন্য সরিয়ে নেয়ার আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।

২০২৩ সালে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখল করে আবদোরাহমানে চিয়ানি। ওই সময় দেশ জুড়ে ফ্রান্স বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।

সাম্প্রতিক বিক্ষোভে জান্তার প্রতি সমর্থন করে অনেককেই ‘‘ইউএসএ রাশ আউট অব নাইজার’’ লেখা ফেস্টুন বহন করতে দেখা যায়।

এ বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক চুক্তি বাতিল করে দুই ঘাঁটিতে শুধু এক হাজার মার্কিন সেনাকে থাকার অনুমতি বহাল রাখে নাইজার।

তবে এরমধ্যেই মার্কিন সেনাদের তাড়াতে নাইজারে আন্দোলন শুরু করে দেশটির হাজারো নাগরিক।

২০২১ সালের নির্বাচনে জিতে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন মোহাম্মদ বাজোম। তিনি পশ্চিমাপন্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। নাইজারের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে ইসলামি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই এগিয়ে নিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র ও একসময় নাইজারে উপনিবেশ স্থাপন করা ফ্রান্স তাকে সরাসরি সহায়তা করে। কেন না নাইজারে দেশ দুটির সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

তবে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে অভ্যুত্থানের পর থেকেই পশ্চিমাদের তাড়াতে বিক্ষোভ করে আসছে দেশটির জনগণ।

এমনকি পশ্চিমা মিত্রদের সঙ্গে সামরিক চুক্তি শেষ করতে আঞ্চলিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্লক ইকোওয়াস ত্যাগ করে নাইজার। তারা রাশিয়ার রাশিয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য প্রতিবেশী মালি ও বুরকিনা ফাসোর জান্তাদের সাথে হাত মেলায়।

আফ্রিকায় প্রভাব বিস্তার করতে চাওয়া রাশিয়াও এই সুযোগ লুফে নিচ্ছে। তারা নানাভাবে জান্তা সরকারকে সহায়তা দিচ্ছে।

গত শুক্রবার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে বেশ কিছু রাশিয়ান পতাকাও দেখা যায়। তাদের অনেকেই অবশ্য, রাশিয়ান প্রতিরক্ষা সহায়তাও নাইজারে স্থায়ী হোক, এটির বিরুদ্ধে।

২০২৩ সালে ফরাসি বিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়া নাগরিক সমাজের গোষ্ঠী এম-৬২ জোটের সমন্বয়কারী আবদৌলায়ে সেয়দু বলেন, ‘‘আমরা নাইজারে বিদেশী সামরিক ঘাঁটি দেখতে চাই না। রাশিয়ারও না।’’

একই কথা বলেন সোলায়মান উসমান নামে এক শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘‘ফরাসি ও মার্কিনীরা সামরিক সহযোগিতার নামে নাইজারে বসতি স্থাপন করেছিল।’’

তবে মার্কিন সৈন্যরা কখন বা কবে নাইজার ছাড়বে তা জানা যায়নি।

   

About

Popular Links

x