ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে একটি বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ।
দুর্ঘটনার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন পশ্চিম জাভা পুলিশের মুখপাত্র জুলস আব্রাহাম অ্যাবাস্ট।
তিনি জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় গভীর রাতে পাহাড়ি রিসোর্ট থেকে ৬১ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিয়ে বাসটি দেপোকের একটি হাই স্কুলে ফিরছিল। স্নাতক সম্পন্ন হওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে ওই আনন্দ ভ্রমণের আয়োজন করে স্কুলটি।
পুলিশের ওই মুখপাত্র বলেন, “পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে ওঠার সময় চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারালে লেন অতিক্রম করে বাসটি সড়কের পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে খুঁটিটি ভেঙে রাস্তায় পড়ে বেশ কয়েকটি প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেলে আঘাত করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই নয়জন নিহত হন। গুরুতর অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে একজন শিক্ষক ও এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে হাসপাতালে আরও ৫৩ জন ভর্তি রয়েছেন। যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত করছি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, ব্রেক ফেল করে বাসটি দুর্ঘটনায় পড়ে।”
দুর্বল অবকাঠামোর কারণে ইন্দোনেশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনা একটি নৈমিত্তিক ব্যাপার। গত বছর মহাসড়কের পাশে থাকা একটি বিলবোর্ডে ধাক্কা মারেন এক বাসচালক। ওই ঘটনায় ১৪ জন নিহত এবং ১৯ জন আহত হয়। ২০২১ সালে আরও একটি বড় দুর্ঘটনা দেখে ইন্দোনেশিয়া। পশ্চিম জাভার পাহাড়ি রিসোর্ট পুনকাকে যাওয়ার পথে গিরিখাতে পড়ে যায় পর্যটকবাহী একটি বাস। ব্রেক ফেল করে ওই বাস দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত এবং ৩৯ জন আহত হয়।



