Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইসরায়েলে একদিনে ৩ শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হিজবুল্লাহর

দেশটির দক্ষিণে ও তেল আবিবের একটি নৌ ঘাঁটিতে এ হামলা চালানো হয়েছে

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৩১ এএম

লেবাননের শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ একদিনে ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ইসরায়েলের ভিত নড়বড়ে করে দিয়েছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার মধ্যেই এই হামলা করলো হিজবুল্লাহ। রবিবার ইসরায়েলের দক্ষিণে ও তেল আবিবের একটি নৌ ঘাঁটিতে এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র চালানো হয়েছে। অন্যদিকে বৈরুতে ব্যাপক বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

রবিবার ইসলায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন উৎক্ষেপণ করেছে হিজবুল্লাহ। এসব ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত ও অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বলেছে, প্রথমবারের মতো তারা ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে আশদোদ নৌঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। পরে সংগঠনটি আবার জানায়, অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে তেল আবিবের একটি সামরিক স্থাপনাতে মুহুর্মুহু হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া তেল আবিবের উপকণ্ঠে গ্লিলট সেনাবাহিনী গোয়েন্দা ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা।

আল জাজিরা বলেছে, হিজবুল্লাহর হামলায় মালোন শহরের একটি কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেতুলা শহরও ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় প্রশাসন।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল আবিবের উপকণ্ঠসহ উত্তর-পূর্ব ও মধ্য ইসরায়েলের একাধিক জায়গায় সাইরেনের শব্দ শোনা গেছে। আকাশপথে হামলা হলে এমন সাইরেন বাজানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হিজবুল্লাহর ছোড়া ২৫০ ক্ষেপণাস্ত্র লেবানন থেকে ইসরায়েল প্রবেশ করেছে। এর আগে রবিবারই ১৬০টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছিল তারা। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, এর মধ্যে বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আকাশে থাকতেই ধ্বংস করা হয়েছে।

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় লেবাননের শিক্ষা মন্ত্রণালয় আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত বৈরুতে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে।

এদিকে, গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী যুদ্ধ চালিয়ে গেলেও সংঘাত বন্ধ চান দেশটির সাধারণ মানুষ। এক জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ইসরাইলের ৫৪% বাসিন্দা যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের পক্ষে মতামত দিয়েছেন। আর ২৮% মানুষ যুদ্ধ বন্ধের বিপক্ষে মত দিয়েছেন।

   

About

Popular Links

x