যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের দাবানলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। হতাহতের সংখ্যাটি নিশ্চিত করেছেন লস অ্যাঞ্জেলস কাউন্টির চিকিৎসা পর্যবেক্ষকরা। তারা বলেছেন, এখনো হতাহতদের ঘটনার তদন্ত চলছে।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে লস অ্যাঞ্জেলেসের কাউন্টি কর্তৃপক্ষ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি মেডিকেল এক্সামিনার বা করোনারের কার্যালয় দাবানলের কারণে নিহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে তালিকায় নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় বা বিবরণ দেওয়া হয়নি। নথিতে বলা হয়েছে, দাবানলের কারণে নিহতের মধ্যে প্যালিসেডস ফায়ার জোনে ৫ জন এবং ইটন ফায়ার জোনে ১১ জন পাওয়া গেছে।
লোকজনের কাছ থেকে নিখোঁজদের বিষয়ে তথ্য পেতে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে একটি তথ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছে।
এক ব্রিফিংয়ে ক্যালফায়ার অপারেশনের প্রধান ক্রিশ্চিয়ান লিটজ বলেন, “শনিবার মূল গুরুত্ব থাকবে ইউসিএলএ ক্যাম্পাসের অদূরে গিরিখাত এলাকায় জ্বলতে থাকা আগুন নিয়ন্ত্রণের। আমাদের সেখানে বেশি পরিমাণে জোর দিতে হবে।”
মূলত ঝড়ো বাতাস এবং অনাবৃষ্টিই লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানলকে এতটা ভয়াবহ করে তুলেছে। আগুনে পুড়ে গেছে ১০ হাজারের বেশি অবকাঠামো। শুক্রবার পর্যন্ত দাবানলে ১৫০ বিলিয়ন ডলার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য দিয়েছে আবহাওয়া বিষয়ক তথ্য সরবরাহকারী ওয়েবসাইট অ্যাকুওয়েদার।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শনিবার থেকে দিক পরিবর্তন করতে শুরু করেছে দাবানল। দাবানল এখন আরও পূর্ব থেকে উত্তর–পূর্ব দিকে ধাবিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এখনো ছয়টি দাবানল জ্বলছে।
লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা এরিক স্কট স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল কেটিএলএকে বলেছেন, প্যালেসেইডস দাবানলটির পূর্বের অংশে আগুন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সেটি দিক পরিবর্তন করে আরও উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই দাবানল সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।



এখনও পুড়ছে লস অ্যাঞ্জেলস, বিষাক্ত ধোঁয়া থেকে বাঁচতে পরামর্শ
দাবানলে ভস্মীভূত ১২ হাজার স্থাপনা, লুটপাটের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২০