লস অ্যাঞ্জেলেস এলাকায় ছড়িয়ে পড়া দাবানলে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সঙ্গে ধ্বংস হয়ে গেছে প্রায় ১২ হাজার ভবন। এতে বাস্তুচ্যুতও হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ। এছাড়াও সান ফ্রান্সিসকোর চেয়েও বড় এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী দাবানলের শিখা।
শক্তিশালী “সান্তা আনা বাতাসের” কারণে গত মঙ্গলবার দাবানলটি শুরু হয়ে এটি বৃহস্পতিবার দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পূর্বাভাসকারীরা সতর্কতা জারি করলেও এই সপ্তাহান্তের শেষের দিকে বাতাস আবার বাড়তে পারে।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) শহর ও কাউন্টি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা প্যালিসেডে আগুন ৮% নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু, আলতাডেনার আগুন মাত্র ৩% নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
অল অ্যাঞ্জেলস কাউন্টি মেডিকেল পরীক্ষকের কার্যালয়ের তথ্যমতে, অন্তত ১১ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এসহ হতাহতের মধ্যে উপকূলে প্যালিসেডস ফায়ারে ৫ জন এবং ইটন ফায়ার ইনল্যান্ডে ৬ জন নিহত হয়েছেন।
যদিও সঠিক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। বেসরকারি সংস্থা অ্যাকুওয়েদার ধারণা দিয়েছে যে, ক্ষতির পরিমাণ ১৩৫ কোটি থেকে ১৫০ কোটি ডলার হতে পারে। যদিও সরকারি কর্মকর্তারা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনও কোনো সরকারি পরিসংখ্যান দেয়নি।
এই দাবানলে বাড়ি, আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন, চার্চ ও মসজিদ ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাতাসের মান এবং বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। সরকার বাস্তুচ্যুত ও ক্ষতিগ্রস্তদের সরিয়ে নেওয়ার পদক্ষেপও নিয়েছে। এছাড়াও ক্যালিফোর্নিয়া সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ও লুটপাট বন্ধে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছে। ইতোমধ্যে লুটপাটের অভিযোগে ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।



যে কারণে এতটা ভয়াবহ হয়ে ওঠলো লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানল
দাবানলে বাড়ি ছাড়া ‘ব্যাটম্যান’ তারকা বেন অ্যাফ্লেক