পাকিস্তানের বাজাউরে সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রথমবারের মতো বাজাউর প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। আটটি দল নিয়ে আয়োজিত এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের প্রধান আয়োজক ছিলেন বাজাউরের ১৯ বছর বয়সী উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মুহাম্মদ শোয়াইব।
১৫ সেপ্টেম্বর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। একই দিনে প্রথম ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়। কয়েক দিন ধরে চলা প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় ২০ সেপ্টেম্বর। টুর্নামেন্টে অংশ নেয় মোট আটটি দল এবং পুরস্কারের জন্য নির্ধারিত ছিল মোট ১ কোটি পাকিস্তানি রুপি।
শোয়াইব টুর্নামেন্টের প্রধান আয়োজকের দায়িত্ব পালন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ফাইনাল পর্যন্ত প্রতিযোগিতার বিভিন্ন আয়োজনের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন। উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি স্থানীয় ক্রিকেটের এই আয়োজনের মাধ্যমে তিনি সংগঠকের ভূমিকাতেও কাজ করেন।
তবে বিপিএলে শোয়াইবের ভূমিকা শুধু আয়োজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি অংশগ্রহণকারী দল স্টিগল ক্রিকেট ক্লাবের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। দলটি প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয়।
শেষ পর্যন্ত স্টিগল ক্রিকেট ক্লাবই প্রথম বাজাউর প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন হয়। ফলে শোয়াইব একই টুর্নামেন্টে আয়োজক এবং বিজয়ী দলের সদস্য—দুই ভূমিকাতেই ছিলেন।
আটটি দলকে নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে ম্যাচের সময়সূচি, দলগুলোর অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন আয়োজন সমন্বয় করতে হয়েছে। শোয়াইব পুরো টুর্নামেন্টের আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের উদ্বোধন থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের ফাইনাল পর্যন্ত কার্যক্রম তদারক করেন।
প্রথম আসর শেষ হওয়ার পর ভবিষ্যতে বিপিএলকে আরও বড় পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন শোয়াইব। তার মতে, দ্বিতীয় আসরটি ঐতিহাসিক হতে পারে। প্রথম আসরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরবর্তী আসর আয়োজনের প্রত্যাশার কথাও তিনি বলেছেন।
বাজাউর প্রিমিয়ার লিগের প্রথম আসর শেষ হয়েছে স্টিগল ক্রিকেট ক্লাবের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে। আটটি দলের অংশগ্রহণ এবং ১ কোটি পাকিস্তানি রুপির পুরস্কারকে ঘিরে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা বাজাউরের স্থানীয় ক্রিকেটে নতুন একটি টুর্নামেন্টের সূচনা করেছে। এর আয়োজনে শোয়াইবের ভূমিকা ছিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।



