আমি অংকে কাঁচা, হিসাবেও কাঁচা। তাই বাজেট নিয়ে কখনো কথা বলি না। বাজেট নিয়ে কথা বলার মতো প্রাসঙ্গিক বা গুরুত্বপূর্ণ মানুষও আমি নই। কৃষি, শিক্ষা, সংস্কৃতি খাতে বাজেটে বরাদ্দ একসময় আমার আগ্রহের জায়গা ছিল, সেই আগ্রহও এখন হারিয়ে ফেলেছি।
কিন্তু এবার বাজেটে কর শনাক্তকারী নম্বরধারীদের (টিআইএন) আয়কর বিবরণী দাখিলের সময় বাধ্যতামূলক দুই হাজার টাকা জমা দিতে হবে, তিনি করযোগ্য আয়ের আওতাধীন হোন কিংবা না হোন।
আইনের ছাত্র হিসেবে এবং ভ্যাট, ট্যাক্স নিয়ে একাধিক প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা থেকে বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা বোঝার চেষ্টা করছিলাম। আমার মনে হয়েছে বিষয়টি আয়কর আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তারপরও কেন এই কর ধার্য ও বাধ্যতামূলক করা হলো, সে বিষয়ে বিস্তর আলাপ ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। সেই প্রসঙ্গে না গিয়ে
শুধুমাত্র এনবিআর চেয়ারম্যান “উন্নয়নের অংশীদার হওয়ার গৌরবের” ভাগীদার হওয়ার যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেই পরিপ্রেক্ষিতে দু-একটি কথা বলতে চাই।
জনমতের বিপরীতে সরকারি সিদ্ধান্ত ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, সাংসদ এবং স্তাবকরা জায়েজ করার চেষ্টা করতেই পারেন। কিন্তু দায়িত্বশীল পদে থেকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা এ ধরনের কথা বললে, জবাবে নাগরিক হিসেবে আমাদেরও কথা বলা জরুরি।
যেহেতু অনেকেই এ বিষয়ে আগে বলেছেন, আমি একজন ভুক্তভোগী হিসেবে কয়েকটা প্রশ্ন তুলতে চাই।
২০২১ সালে মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে গেছি ভ্যাকসিন নিতে। লম্বা লাইন, নানা বয়সের অনেক মানুষ রোদে দাঁড়িয়ে আছেন। কাউকে কাউকে হয়ত দুই/তিন ঘণ্টাও দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। আমার স্বজননদের মধ্যে এক ডাক্তারও এসেছেন। ওই কেন্দ্রে তার জীবনসঙ্গীর টিকাগ্রহণের তারিখ একই দিনে।
সেই ডাক্তার তখন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয়ে কর্মরত। আমি বললাম, এই যে সরকার এত টাকা খরচ করে মানুষের জন্য ভ্যাকসিন আনল, ব্যবস্থাপনাটা আরও ভালো হতে পারত। এত মানুষ, এখানে একটা অস্থায়ী তাঁবুর ব্যবস্থা করা যেত। একটা হ্যান্ড মাইক থাকতে পারত। বয়স্করা তাঁবু কিংবা শামিয়ানার নিচে অপেক্ষা করতে পারতেন তখন। সিরিয়াল এলে মাইকের ঘোষণা শুনে ভ্যাকসিন নিয়ে ফিরে যেতে পারতেন খুব স্বাচ্ছন্দ্যে। উত্তরে তিনি বললেন, “তুমি যেগুলোর কথা বলছ, প্রত্যেকটি কেন্দ্রে এগুলোর জন্য বাজেট বরাদ্দ আছে, এটা ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা।”
এ বছরের মার্চের শুরুতে একটি বেসরকারি ব্যাংকের জিগাতলা শাখায় যেতে হয়েছিল মোটরসাইকেলের ট্যাক্স দিতে। দুই বছরের জন্য ২,০০০ টাকা ট্যাক্স এবং ৩০০ টাকা ভ্যাটসহ মোট ২,৩০০ টাকা। আমি বাসা থেকে ঠিক এই পরিমাণ টাকা নিয়েই বের হয়েছি। কাউন্টারে পুরোনো ট্যাক্স টোকেন দিলাম। কাউন্টারে কর্তব্যরত ব্যক্তি যাবতীয় তথ্য কম্পিটারে ইনসার্ট করে বললেন, “৩,৪৫০ টাকা দেন।” ঠিক আগেরজনের টাকার পরিমাণ দেখে বুঝলাম, পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। টোকেন ফেরত নিয়ে অতিরিক্ত টাকা যোগ করে সেদিনই ট্যাক্স জমা দিলাম। টোকেন হাতে নিয়ে দেখি, সেখানে টাকার পরিমাণ ২,৩০০-ই উল্লেখ করা হয়েছে। ১,১৫০ টাকা “ডেভলপমেন্ট ফিস” হিসেবে অন্য একটা রিসিটে গ্রহণ করা হয়েছে।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে বিআরটিএ'র একটা জেলা সার্কেল থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক পরীক্ষায় আমি পাশ করি। কিন্তু ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের তারিখ দেওয়া হয় ২০২২ সালের মে মাসে। ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় আবেদন করলেও আমাকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়ার যে তারিখ দেওয়া হয়, সেটা করা হয়েছে ম্যানুয়ালি এবং সেখানে বিআরটিএ'র একটা সাবেকী পদ্ধতির সীলমোহর থাকলেও কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির স্বাক্ষর নাই।
ঢাকা শহরের একজন সার্জেন্টকে সেই কাগজটা দেখালে তিনি জবাব দেন, “আপনি পাশ করেছেন এটা তার একটা সাপোর্ট বটে, কিন্ত স্বাক্ষরবিহীন এই তারিখ কেউ মানতেও পারেন, আবার না-ও পারেন।” একজন বয়স্ক সার্জেন্টকে কাগজটা দেখালে তিনি বলেন, “আপনি এটা দিয়েই বাইক চালাতে পারবেন কোনো সমস্যা নাই।”
যাই হোক, ফিঙ্গারপ্রিন্ট গ্রহণের তারিখ পেরিয়ে গেলেও মেসেজ না পেয়ে ফের বিআরটিএতে যোগাযোগ করি। আমাকে বলা হয়, “আপনি ডেট বাড়িয়ে নিয়ে যান, মেসেজ যাবে। কিছুদিন দেরি হবে।”
এভাবে ২০২২-এর মে থেকে ডিসেম্বর পার হয়। এতদিনেও মেসেজ না আসায়, ফের যোগাযোগ করলে লার্নার এবং ভোটার আইডি কার্ডসহ কাগজপত্র বিআরটিএতে পাঠাতে বলা হয়। যথারীতি সেগুলো পাঠানোর পর ১৫ কর্মদিবস অপেক্ষা করতে বলা হয়। ১৫ কর্মদিবস পর বিআরটিএ থেকে আমাকে ফোন করে আমার ভোটার আইডি নম্বর, জন্মতারিখসহ কিছু তথ্য চাওয়া হয়। অথচ সেগুলো আমি ১৫ দিন আগেই বিআরটিএকে সরবরাহ করেছি। মাথা ঠাণ্ডা রেখে আবারও যাবতীয় তথ্য তাদের দেই।
সবশেষে ফলাফল হলো, আমার ওই পাশের সার্টিফিকেট দিয়ে নাকি আর ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া সম্ভব নয়। আমাকে নতুন করে লার্নার নিতে হবে। আমার কোনো তথ্য নাকি বিআরটিএর সার্ভারে নেই। কিন্তু আমি তো ইতোমধ্যে লাইসেন্স ফিস বাবদ ২,৫৪২ টাকা জমা দিয়েছি।
তথ্য কেন নেই, তার কোনো সদুত্তর বিআরটিএ দিতে পারেনি। উল্টো আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় আমি কেন এতদিন পরে যোগাযোগ করছি? এবার বলা হয়, “শুধুমাত্র নিয়মরক্ষা, আপনি ফিস জমা দিয়ে একটা নতুন লার্নার কার্ড নেন। সনদের জন্য আগে যে টাকা জমা দিয়েছিলেন, তাতেই আপনার সনদ হয়ে যাবে। আপনি পরীক্ষার দিন এসে শুধু খাতায় আপনার স্বাক্ষর নিশ্চিত করবেন।”
পরে একটা বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের প্রতিবেদন থেকে জানতে পারি, সারাদেশে আমার মতো ভুক্তভোগীর সংখ্যা ৪৫ হাজার। সবগুলো পরীক্ষায় পাশ করেও যাদের কোনো তথ্য বিআরটিএর সার্ভারে নেই। বিআরটিএর পরামর্শে আমি এ বছরের ১৮ এপ্রিল যথারীতি পরীক্ষা দিতে আসি এবং সবগুলো পরীক্ষাতেই আমাকে অংশগ্রহণ করতে হয়। যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আমার যথারীতি সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা বেজে যায়।
প্রাক্টিক্যাল পরীক্ষার সময় আমি কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাই, এখন তো বিআরটিএ সনদের ফিস বাড়িয়েছে, তাহলে আমার আগের টাকাটা কীভাবে সমন্বয় হবে? তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। অফিসের পাশে একজন কম্পিউটার অপারেটর জানালেন, বর্তমান ফিসটাই দিতে হবে কিন্তু আগে দেওয়া টাকা সমন্বয়ের ব্যবস্থা আছে।
“কিন্তু আপনি কোনোভাবেই অনলাইনে পেমেন্ট করবেন না, সেক্ষেত্রে আপনার ৪,৪৯৭ টাকাই একবারে কেটে নেবে। আপনি ১,৯৫৫ টাকা এনআরবিসি ব্যাংকের যেকোনো শাখায় গিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স আদার ফিস খাতে জমা করে রশিদটা আমাকে দিলে আপনার কাজটা করে দিতে পারব।”
যথারীতি এনআরবিসি ব্যাংক জিগাতলা শাখায় টাকা জমা দিতে যাই। এবার ব্যাংক থেকে আমাকে বলা হয়, বিআরটিএ থেকে আমাদের লাইসেন্স ফি বাবদ কোনো টাকা না নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
অগত্যা একদিন বিআরটিএ মিরপুর সার্কেলে গিয়ে পুরো বিষয়টা জানাই এবং কাগজপত্র দেখিয়ে আমার করণীয় জানতে চাই। কেউই সদুত্তর দিতে পারেননি। একজন তো বলেই বসলেন, “আপনি এখানে কেন এসেছেন, আপনি যেখানে পরীক্ষা দিয়েছেন, তাদের কাছে জানতে চাইবেন, তারা উত্তর দিতে না পারলে বিভাগীয় অফিসে যাবেন, তারপর হেড অফিসে যাবেন।”
বুঝলাম হাইকোর্ট দেখানো কাকে বলে। বললাম, “আমি শুধু একটা তথ্য চাইছি। আপনি একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়ে এতটুকু সহায়তা একজন নাগরিককে না করতে পারেন, তাহলে সেটা দুঃখজনক।” তখন তিনি বললেন, “আপনি যেহেতু নতুন লার্নার নিয়েছেন, আপনাকে পুরো টাকাটাই দিতে হবে।”
আমি বিআরটি সহকারী পরিচালকের (সাধারণ) কক্ষে যাই। তিনি রুমে ছিলেন না। তবে তার রুমের পাশে ক্ল্যারিক্যাল কাজ করেন এমন দু'জনের কাছে গিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বললাম, “ভাই সম্ভব হলে আমার এই ইস্যুতে একটু সহায়তা করেন।” তারা আমাকে ঘণ্টাখানেক দাঁড় করিয়ে রেখে ফোনে অন্য কারও সঙ্গে কথা বলে পরামর্শ দিলেন, “আপনি ড্রাইভিং লাইসেন্স ফিস আদার খাতে ১,৯৫৫ টাকা জমা দিয়ে সেই রিসিট বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে আপ্লোড করে এটা সমন্বয় করতে পারবেন।” তারা আমার কাগজপত্রে বিষয়টি লিখেও দিলেন।
আমি যথারীতি বিআরটিএ অফিসের এনআরবিসি শাখায় টাকা জমা দিতে গেলাম, সেই জিগাতলার পুনরাবৃত্তি। বললাম, “এই ১,৯৫৫ টাকা জলে যাক, আপনি জমা নিন।” তিনি অপরাগতা প্রকাশ করলেন। একপর্যায়ে বললেন, “আপনি কাগজপত্রের ফটোকপির ওপর লিখে দিন, “এই টাকা কাজে না এলে এনআরবিসি ব্যাংক দায়ী থাকবে না। আমি লিখলাম, তারপরেও কী ভেবে কাউন্টার থেকে বলা হলো- “না নেওয়া যাবে না।”
আমিও অনড়, লিখিত দেওয়ার পরেও কেন নেবেন না?
অবশেষে ম্যনেজার এলে তাকে রাজি করিয়ে টাকা জমা দিয়ে ফেরত এলাম। সেই কম্পিউটার অপারেটরের সাহায্যে আমি পেমেন্টও সম্পন্ন করেছি এবং সেটা অনুমোদিতও হয়েছে।
এই যে সাম্প্রতিক তিনটি অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে পারি, করের টাকার বিনিময়ে প্রাপ্ত সেবার মানে আমি সন্তুষ্ট নই। বরং দারুণ অসন্তুষ্ট। সেখানে আমাকে, আমাদেরকে উন্নয়নের গর্বিত অংশীদার হতে বলা এই অসন্তুষ্টিকে বাড়িয়ে দেওয়া ছাড়া আর কী হতে পারে।
আইসিডিডিআরবি তাদের হাসপাতালের মাঠে অস্থায়ী তাঁবু টাঙিয়ে শত শত মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে বছরের পর বছর। সরকারি বরাদ্দ থাকার পরও একটা অস্থায়ী তাঁবু কমপক্ষে বয়স্ক মানুষ, নারীদের জন্য একটা সরকারি হাসপাতাল করতে পারে না? একটা হ্যান্ড মাইক কিনতে পারে না?
বিআরটিএর ট্যাক্স বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কি একটা মেসেজের মাধ্যমে ট্যাক্সদাতাকে জানানো না গেলে বলিতে হইবে, “এই ডিজিটাল সেবা লইয়া আমরা কী করিব?” আবার ট্যাক্স টোকেনে উল্লেখ ২,৩০০ টাকা কিন্তু আপনারা নিচ্ছেন ৩,৪৫০ টাকা। এই ১,১৫০ টাকা কোন খাতে ব্যয় হচ্ছে, তার সুস্পষ্ট হিসেব কেন আমি পাব না?
বিআরটিএ যে শিক্ষাণবীশ লাইসেন্স দেয় সেখানে পরীক্ষার তারিখ এবং সময় উল্লেখ থাকে। সময় লেখা থাকে লিখিত পরীক্ষা: সকাল ৯.০০ টা, মৌখিক পরীক্ষা: সকাল ৯.০০ টা, প্রাক্টিক্যাল পরীক্ষা: সকাল ৯.০০ টা। এই হলো আমাদের পরিষেবার অবস্থা। বাস্তবে এই কাজে লাগে সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা। আমি যে বিআরটিএ সার্কেলে পরীক্ষা দিয়েছি সেখানে বসার জায়গাতে শত শত মানুষ কিন্তু একটি ফ্যানও নাই। একজন সেবাগ্রহীতা ফ্যান ছাড়া ১২ ঘণ্টা সময় পার করেন, এটা ভাবা যায়?
তিনটি ঘটনার উল্লেখ করলাম মাত্র। নিত্যদিন সরকারি পরিষেবা পেতে নানান জায়গায় নানান রকম অসন্তুষ্টি নিয়েও যারা নিয়মিত প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ করের বোঝা বয়ে চলছেন সেই ভুক্তভোগীদের আমি আমি একজন প্রতিনিধি মাত্র।
যখন এই লেখাটি লিখছি, ঠিক সেই সময় (১৩ জুন) রংপুরে দুদক ৩০টি সরকারি প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতির বিষয়ে দিনব্যাপী গণশুনানি করেছে। টেলিভিশনে সেই শুনানিতে অংশগ্রহণকারী ভুক্তভোগীদের বক্তব্য শুনলে বুঝবেন কী পরিমাণ অসন্তুষ্টি আমাদের করের টাকায় প্রতিপালিত কথিত সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের ওপর।
এমন অবস্থায় উন্নয়নের গর্বিত অংশীদার হওয়া, সৌভাগ্যের অংশীদার হতে বলা- স্রেফ মশকরা ছাড়া আর কী হতে পারে? দয়া করে আমাদের রেহাই দেওয়া যায় না? উড়াল সেতু, বড় সেতু, শহুরে রেল হলো রাষ্ট্রের উপর কাঠামো। সরকারি পরিষেবা ভেতর কাঠামো। আমার, আমাদের করের টাকায় তৈরি উপর কাঠামোতে আমি একদিনও না চড়তে পারি। কিন্তু ভেতর কাঠামো আমার দৈনন্দিন জীবনে যুক্ত।
সেই জায়গায় উন্নয়ন না হলে আমি কোনো গর্বের ভাগীদার হতে রাজি নই, আমার করের টাকায় যারা যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন, সেই প্রজাতন্তের কর্মচারীদের কাছ থেকে কোনো আহ্বান শুনতেও রাজি নই।
মানবাধিকার কর্মী অপূর্ব দাসের জন্ম ও বেড়ে ওঠা যশোরে। লেখাপড়া করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। মানবাধিকার, নারী অধিকার, জেন্ডার এবং নারীর ভূমি অধিকার নিয়ে তিনি কাজ করেছেন একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠনে। এছাড়াও যুক্ত আছেন লেখালেখি এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও।
প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্ত ব্যক্তিগত। ঢাকা ট্রিবিউন কর্তৃপক্ষ এর জন্য দায়ী নয়।



