Friday, October 23, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এইচএমপিভি সংক্রমণের ঝুঁকি যাদের বেশি

এইচএমপিভি থেকে যাদের ঝুঁকি বেশি, তাদের চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৪:৪৪ পিএম

হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) থেকে সুরক্ষা পেতে আগাম সতর্ক থাকাটা জরুরি। চিকিৎসকেরা বলছেন, এইচএমপিভিতে আক্রান্ত হওয়ার ভয় সবার নেই। তবে কারও কারও আছে।

কাদের এইচএমপিভি আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি?

বয়সজনিত জৈবিক কারণে এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে এইচএমপিভিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এইচএমপিভি থেকে যাদের ঝুঁকি বেশি, তাদের চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১। শিশু এবং বালক-বালিকা

কেন ঝুঁকি? চিকিৎসদের মতে, এদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা যেহেতু পরিণত হয়নি, তাই আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কী হতে পারে? ফুসফুসে সংক্রমিত হয় এমন যেকোনো ভাইরাসের মতোই হবে এইচএমপিভির উপসর্গ। জ্বর, কাশি, ব্রঙ্কাইটিস, নিউমোনিয়া। খুব ছোট শিশুদের হাইপক্সিয়া এবং ডিহাইড্রেশনও হতে পারে।

২। বয়স্করা

কেন ঝুঁকি? বয়সের সঙ্গে সঙ্গে রোগপ্রতিরোধ শক্তি দুর্বল হয়। ফলে যেকোনো সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষমতাও কমে।

কী হতে পারে? সিওপিডির বা হার্ট ফেলের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে এইচএমপিভি।

৩। কোমর্বিডিটি থাকলে

কেন ঝুঁকি? অ্যাস্থমা, ডায়াবিটিস থাকলে বা যেকোনো রোগ যা রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে দুর্বল করে দেয়, তা থাকলে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা কমবে।

কী হতে পারে? রোগের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, নতুন কোনো সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। সেরে উঠতে দেরি হতে পারে।

৪। অপুষ্টির সমস্যা থাকলে

কেন ঝুঁকি? পুষ্টির অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে।

কীভাবে সতর্ক হবেন?

রোগ আসতেই পারে। তবে সতর্ক থাকলে তার প্রভাব অনেকটাই এড়ানো যায়। এড়ানো যায় শারীরিক ক্ষতিও। চিকিৎসকরা বলছেন, চিকিৎসা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ের পাশাপাশি যাপনেও বদল আনা দরকারি।

১। টিকা: এইচএমপিভি ভাইরাসের জন্য টিকা না বেরোলেও ভবিষ্যতে তেমন টিকা বেরোলে তা নিয়ে নেওয়া উচিত।

২। চিকিৎসা: চিকিৎসকদের মতে মোনোক্লোনার অ্যান্টিবডিজ রোগপ্রতিরোধ শক্তিকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

৩। পরীক্ষা: উপসর্গ দেখলে এইচএমপিভির পরীক্ষা করিয়ে নেওয়াই ভালো।

৪। অসুখের যত্ন: যাদের ডায়াবিটিস বা অ্যাস্থমা রয়েছে, তারা নিজের অসুখের পরিস্থিতির দিকে খেয়াল রাখুন। দরকার হলে যত্ন নিন।

৫। যাপন বদল: নিয়মিত হাত ধোয়া, মুখে-নাকে হাত না দেওয়া, মাস্কের ব্যবহার এবং জমায়েত এড়িয়ে চলা।

   

About

Popular Links

x