এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, “নির্বাচনের বিধিমালা এবং প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা নির্ধারণ করে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন, স্থানীয় সরকার আইন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা সব কিছু নিয়ে ঠিক করা হবে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবেন কি না।”
প্রতিমন্ত্রী জানান, স্থানীয় সরকার আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে, কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রে, পরিষদে বা অন্য কোনো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে অযোগ্য হবেন তিনি। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালায় বিষয়টি স্পষ্ট করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
তিনি বলেন, “এরপরও নির্বাচন কমিশনের আইনগত কোনো মতামতের প্রয়োজন হলে, অথবা বিষয়টি বিস্তারিত জানার প্রয়োজন কিংবা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে, সেক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পরিষ্কার করা হবে।”
মীর শাহে আলম আরও বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পদে বা চেয়ারম্যান পদে দাঁড়ানোর জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার চেয়ারম্যান বা মেয়র, কাউন্সিলর এবং সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্যও শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধ্যতামূলক নয়।”
এছাড়া, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বয়সের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।



