ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার পর এখন অপেক্ষায় প্রার্থী ও ভোটাররা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো প্রস্তুতি নিয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুলের বড় মাঠ থেকে ভোটগ্রহণের সরঞ্জাম বিতরণ শুরু করে জেলা নির্বাচন অফিস।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পুলিশ, আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব বুঝে নেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৮টায় নির্বাচনী প্রচারের সময়সীমা শেষ হয়। এর মধ্য দিয়ে কয়েক দিনের প্রচার, মিছিল ও সভা-সমাবেশের সমাপ্তি ঘটে।
উপনির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মির্জা ফয়সল আমীন, তার প্রতীক ধানের শীষ; বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন, প্রতীক দাঁড়িপাল্লা; বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিযামী, প্রতীক বটগাছ; বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক, প্রতীক ডাব; এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম, প্রতীক হাতপাখা।
ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৫, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। হিসাব অনুযায়ী, এ আসনে পুরুষের তুলনায় নারী ভোটারের সংখ্যা কিছুটা বেশি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে নিরাপত্তা জোরদার করতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি রয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।



