আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “এটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নানা বিবেচনা হয়। জনমত জরিপেই জাতীয় পার্টির প্রার্থী এগিয়ে ছিল। আমাদের ভেতরে কিছু সমস্যাও আছে। না হয় ভোটের এত ব্যবধান হওয়ার কথা না।”
বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে রংপুর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ভরাডুবির কারণ জানতে চাইলে জবাবে তিনি এ দাবি করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, “মেয়র হবে লাঙ্গলের, দ্বিতীয় হবে নৌকা-রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফল নিয়ে এমন ধারণাই ছিল অধিকাংশের। কিন্তু সব হিসাব উল্টে গেছে ভোটের ফলাফলে। নৌকার প্রার্থী চতুর্থ হয়ে জামানত হারিয়েছেন।”
কাদের বলেন, “আমাদের ভেতরে কিছু সমস্যা ছিল। আমরাতো কেউ সেখানে যাইওনি। আমরা কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেইনি। আমরা আগেই জানতাম এখানে এগিয়ে আছে জাতীয় পার্টির প্রার্থী। এখানে সরকারি দল থেকে কোনো বাড়াবাড়িও হয়নি। আমরা পিছিয়ে আছি বলে জোর করে এগিয়ে যাওয়ার কোনো চেষ্টা করিনি। সেদিক থেকে এখানে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। আমি এটা মনে করি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি, তদন্ত করে দেখছি। আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি বড় রকমের। এক সপ্তাহের মধ্যেই আমরা বড় রকমের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি।”
দু-একদিনের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে বলেও জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।



