আর্লিং হল্যান্ড ও কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে ফের ফিফার বর্ষসেরার সেরার মুকুট পরলেন ফুটবল ছন্দের জাদুকর লিওনেল মেসি। সোমবার (১৫ জানুয়ারি) লন্ডনে ফিফার সর্বোচ্চ পুরস্কার “দ্য বেস্ট”পুরস্কার জিতেছেন তিনি। এ নিয়ে তৃতীয়বার দ্য বেস্ট হলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। ২০১৯ ও ২০২২ সালেও ফিফার বর্ষসেরা হন মেসি।
ফিফা দ্য বেস্টের ইতিহাসে এবারই সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোটিং হয়েছে। আর্লিং হালান্ড ও মেসি দুজনেই পেয়েছেন ৪৮ পয়েন্ট। দুজনের টাইয়ের সুবাদে ভাগ্য নির্ধারণ হয় জাতীয় দলের অধিনায়কদের ভোটে। আর তাতেই মেসির হাতে উঠেছে বর্ষসেরার পুরস্কার। ফিফার “রুলস অব অ্যালোকেশন” এর ১২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত। তবে অধিনায়ক হিসেবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে নিজেকেই ভোট দেননি মেসি।
“ফিফা দ্য বেস্ট” মেসি তার প্রথম ভোট দিয়েছেন নিজের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আর্লিং হালান্ডকে। দ্বিতীয় ভোট দিয়েছেন নিজের সাবেক পিএসজি সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপ্পেকে। আর তিন নম্বর ভোট দিয়েছেন জাতীয় দলের সতীর্থ হুলিয়ান আলভারেজকে।
কোচ হিসেবে মেসির প্রথম ভোট পেয়েছেন ম্যানসিটির পেপ গার্দিওলা। নিজের একসময়ের সতীর্থ বার্সা কোচ জাভিকে দিয়েছেন দুই নম্বর ভোট। আর মেসির তিন নম্বর ভোট পেয়েছেন নাপোলির কোচ লুসিয়ানো স্পালেত্তি।
এদিকে “ফিফা দ্য বেস্ট” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মেসি। তার হয়ে পুরস্কার নেন সঞ্চালকের ভূমিকায় থাকা সাবেক ফরাসি তারকা থিয়েরি অঁরি। অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন এই অনুষ্ঠানে থাকেননি মেসি?
আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে টিওয়াইসি স্পোর্টস বলছে, মেসির ইন্টার মায়ামির হয়ে কোনো অনুশীলন মিস করতে চাননি। লন্ডনে গেলে মায়ামির হয়ে ৪টি অনুশীলন সেশন মিস করতেন মেসি। প্রাক-মৌসুমে মায়ামির হয়ে মাঠে নামার আগে মেসি সেটা করতে চাননি। আর এজন্যই তাকে দেখা যায়নি “ফিফা দ্য বেস্ট” অনুষ্ঠানে।
“ফিফা দ্য বেস্ট” পুরস্কারের জন্য ২০২২ সালের ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়েছে ফিফা।



