Wednesday, July 22, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

হারের পর রেফারিং নিয়ে চটেছেন টুখেল

টুখেল আক্ষেপ করে বলেন, লাইন্সম্যান ও রেফারি জঘন্য সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। আমাদের সঙ্গে যেন বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে

আপডেট : ০৯ মে ২০২৪, ০৩:৪১ পিএম

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদ। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলের জয়ে ফাইনালে উঠে গেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

এদিকে, ম্যাচটিতে হারের পর রেফারিং নিয়ে চটেছেন বায়ার্ন কোচ টমাস টুখেল। ক্লাবটির দাবি, স্কোরলাইন হওয়া উচিত ছিল ২-২।

সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে শেষ বাঁশি বাজার আগে বায়ার্ন একটি সুযোগ পেয়েছিল, বলও জড়িয়েছিল রিয়ালের জালে। কিন্তু অফসাইডের কারণে তা বাতিল করে দেন রেফারি।

মূলত অতিরিক্ত সময়ের ১৩ মিনিটে মিডফিল্ডার জশুয়া কিমিখের দূরপাল্লার পাস হেড করে ম্যাথিয়াস ডি লিটকে দেন টমাস মুলার। কিমিখ পাসটি দেওয়ার সময় মুলার ও ডি লিট রিয়ালের দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে দৌড় শুরুর সময় অফসাইড হন। লাইনসম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেন মুলারের হেড থেকে ডি লিট গোল করার আগেই। তখন বাঁশি বাজান রেফারি মার্চিনিয়াক এবং সে সময় থেমে গিয়েছিলেন রিয়ালের খেলোয়াড়রা। রেফারি বাঁশি বাজানোয় সেটি অফসাইড হয়েছিল কি-না, তা পরীক্ষা করে দেখার এখতিয়ার ছিল না ভিএআরের।

এটি নিয়েই ম্যাচ শেষে বায়ার্ন মিউনিখ কোচ টমাস টুখেল ধুয়ে দিয়েছেন রেফারি সাইমন মার্চিনিয়াক ও লাইনসম্যানকে।

ম্যাচ শেষে টুখেল বলেন, “আমার মনে হয়, এটা বেশ পরিষ্কার এবং এখানে কোনো সংশয়ই নেই যে, এই সিদ্ধান্ত আধুনিক ফুটবলের বিরুদ্ধে। খুবই বাজে, একদমই বিপর্যস্ত সিদ্ধান্ত। রিয়ালের দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রে, তারা (রেফারিরা) খেলা চালিয়ে যেতে দিয়েছে। নিয়মে পরিষ্কার আছে, খেলা চলতে থাকবে। প্রথম ভুলটা করেছে লাইন্সম্যান, দ্বিতীয় ভুল রেফারির।”

তিনি আরও বলেন, “খুবই কঠিন (মেনে নেওয়া)… খেলাধুলার মানুষ হিসেবে অবশ্যই এসব আমাদেরকে মেনে নিতেই হয়। তবে এটা সেমিফাইনাল, এখানে এরকম দুটি ভুল গ্রহণযোগ্য নয়। এসব ম্যাচে সবাইকে নিজের চূড়ায় থাকতে হয়, রেফারিরাও এর বাইরে নয়। এরকম কিছুই আমরা প্রত্যাশা করি। ক্ষমা চেয়ে তাই লাভ নেই।”

বায়ার্ন কোচের হতাশার সুরে বলেন, “আমরা প্রায় পৌঁছেই গিয়েছিলাম (ফাইনালে), একদম নাগালেই ছিল। এরপর আমাদের সেরা ফুটবলার অস্বাভাবিক একটু ভুল করে ফেলায় খেলায় সমতা ফিরল, এরপর আমরা আরেকটি গোল হজম করলাম যোগ করা সময়ে। এরপর আমরাও গোল করেছিলাম, কিন্তু লাইন্সম্যান ও রেফারি জঘন্য একটি সিদ্ধান্ত দিলেন। দিনশেষে মনে হচ্ছে, আমাদের সঙ্গে যেন বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।”

   

About

Popular Links

x