সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে গ্রেপ্তারের খবর নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭আগস্ট) বিকেলে আরাফাতকে গ্রেপ্তারের জন্য গুলশানের একটি বাসায় অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।
এ সময় পুলিশের সূত্রের বরাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আরাফাতকে গ্রেপ্তারের খবর প্রচার হয়। তাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও খবর ছড়িয়ে পড়ে।
তবে সন্ধ্যার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ওবায়দুর রহমান সাংবাদিকেদরে জানান, তাদের কাছে আপাতত মোহাম্মদ আলী আরাফাতকে গ্রেপ্তারের কোনো আনুষ্ঠানিক খবর নেই।
এদিকে আরাফাতকে আটকের খবরে মিন্টো রোডের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ের সামনে মিষ্টি বিতরণ করেন সোশ্যাল মিডিয়ার বরাতে আলোচনায় উঠে আসা কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম। সেইসঙ্গে আরাফতের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা করবেন বলেও জানান তিনি।
গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর সাবেক এই প্রতিমন্ত্রীকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে কবি নজরুল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মো. তাহিদুল ইসলাম নিহতের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্য ৪৭ জনের সঙ্গে তিনি আসামি। এছাড়াও একইরকম আরও কয়েকটি মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।
আরাফাত দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের একজন “থিংক ট্যাংক” হিসেবে কাজ করছেন। আগে বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে দলের হয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হন। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী আশরাফুল আলমকে (হিরো আলম) হারিয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
দুই সপ্তাহ আগে মোহাম্মদ এ আরাফাত ও তার স্ত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করতে সব ব্যাংককে নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এক চিঠিতে ব্যাংকগুলোকে এ দুইজনের নামে থাকা ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সব ধরনের টাকা তোলা বন্ধ করতে বলা হয়।



