Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে হাইকোর্টে রিট

এর আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৬:৫২ পিএম

ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি বাতিল এবং পদ্মা, মেঘনার ইলিশ রপ্তানিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান রিটটি করেন।

রিটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আমদানি-রপ্তানি কার্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রককে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটের আগে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতির প্রতিবাদে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠান এই আইনজীবী। নোটিশের পর কোনো প্রতিকার না পেয়ে আইনজীবী এ রিট করেন।

রিটের আগে দেওয়া আইনি নোটিশে বলা হয়, ইলিশ মাছ বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমারসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিশাল ও বিস্তৃত সমুদ্রসীমা রয়েছে। ভারতের জলসীমায় ব্যাপকভাবে ইলিশ উৎপাদন হয়। এই বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে ভারতের ইলিশ মাছ আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু ভারত মূলত বাংলাদেশের পদ্মা নদীর ইলিশ আমদানি করে।

বাংলাদেশে ভারতীয় এজেন্টরা ও মাছ রপ্তানিকারকরা সারাবছর পদ্মা নদীর ইলিশ মজুত করে রাখে এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে পদ্মা নদীর ইলিশ ভারতে রপ্তানি করে। ক্ষেত্রবিশেষে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচার করে। বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশ ভারতে রপ্তানি ও পাচার হওয়ার কারণে বাংলাদেশের জনগণ বাজারে গিয়ে পদ্মার ইলিশ পায় না। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের জনগণকে সামুদ্রিক ইলিশ খেতে হয়, যা পদ্মার ইলিশের মতো সুস্বাদু নয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিস ভারত থেকে আমদানি করে। কিন্তু ভারত সরকার কখনোই তার নিজের দেশের জনগণের চাহিদা না মিটিয়ে বাংলাদেশে কোনো পণ্য রপ্তানি করে না। বাংলাদেশের রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী, ইলিশ মুক্তভাবে রপ্তানিযোগ্য মাছ নয়। এমতাবস্থায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমতি দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছে। তাই এই নোটিশ পাওয়ার তিনদিনের মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছি।

   

About

Popular Links

x