Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এইচএমপিভি আর করোনাভাইরাস কি একই? জেনে নিন পার্থক্য ও লক্ষণ

এইচএমপিভি ভাইরাস সব বয়সী মানুষকে আক্রান্ত করার সক্ষমতা রাখলেও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:০০ পিএম

চীনের সিডিসি (সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন) অনুসারে, গত ১৬ থেকে ২২ ডিসেম্বর দেশটিতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এইচএমপিভি (হিউম্যান মেটানিউমো ভাইরাস)-এর সংক্রমণ। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত অসুস্থতার কারণে বেড়েছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার, যা কোভিড-১৯, রাইনোভাইরাস বা অ্যাডিনোভাইরাসের চেয়েও বেশি। সাধারণত ১৪ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। বর্তমানে প্রতিবেশী দেশ ভারতে ৩ জনের এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

বর্তমানে সবার মনে একটাই প্রশ্ন, এইচএমপিভি ও করোনাভাইরাস একই কিনা। নতুন এই এইচএমপিভি ভাইরাস মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই ৪ বছরের আগেকার সময়কে, যখন করোনা মহামারিতে পুরো পৃথিবী স্থবির হয়ে পড়েছিল। যার প্রভাব পুরো বিশ্বে এখনো রয়েছে।

সম্প্রতি ভাইরাস দুইটি একই কিনা বা এর লক্ষণসমূহ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দ। ভারতীয় ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিশেষজ্ঞের মতে, অন্য যে ভাইরাসগুলো সাধারণভাবে আমাদের ঋতু পরিবর্তনের সময় হয়, এবারেও একই উপসর্গ। করোনায় যেমন দেখা গিয়েছিল যে আক্রান্তরা গন্ধ পাচ্ছিলেন না। সেটা এইক্ষেত্রে নয়। এছাড়াও কোভিডে দেখা গিয়েছিল যে আক্রান্তরা শ্বাসনালির সংক্রমণ নিয়ে আসছে, রোগীর অক্সিজেন কমে যাচ্ছে, তবে সেগুলোর কিছুটা পার্থক্য রয়েছে এই ভাইরাসের সঙ্গে।

করোনা ও এইচএমপিভির সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে চীন থেকেই।

করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল জ্বর। এইচএমপিভির সংক্রমণেও জ্বর আসছে। তবে আক্রান্তদের স্বাদ-গন্ধ চলে যেত। এক্ষেত্রে তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকরা বলছেন, তবে আশার কথা হলো, এই ভাইরাস করোনার মতো অজানা কিংবা নতুন নয়। এই ভাইরাস পূর্বপরিচিত। শীতকালে বিভিন্ন দেশে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এই ভাইরাসেরও প্রকোপ বাড়ে। তবে শিশুদের এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি।

এইচএমপিভি সংক্রমণের লক্ষণ

ব্যক্তির বয়স, স্বাস্থ্যের অবস্থা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে সংক্রমণের উপসর্গগুলো ভিন্ন রকম হতে পারে। এগুলো প্রধানত দুটি পর্যায়ে দেখা যায়, সেগুলো হলোঃ

  • হালকা লক্ষণ
  • সর্দি বা নাক বন্ধ
  • কাশি এবং গলা ব্যথা
  • হালকা জ্বর
  • প্রচণ্ড ক্লান্তি

গুরুতর লক্ষণ

শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা

গুরুতর ক্ষেত্রে, বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে নিম্নোক্ত উপসর্গগুলো বেশি পরিলক্ষিত হয়:

  • শ্বাসকষ্টের তীব্রতা
  • বুক ব্যথা
  • অবিরাম কাশি

করোনা আক্রান্তের লক্ষণ

লক্ষণগুলো ভাইরাস এর সংস্পর্শে আসার এবং ভাইরাসের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ২-১৪ দিনের মধ্যে দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ পরিচিত লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, শুকনো কাশি এবং ক্লান্তি।

  • শরীরে ব্যথা ও যন্ত্রণা।
  • সর্দি নাক এবং গলা ব্যাথা।
  •  ডায়রিয়া
  •  স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি হারানো
  •  ত্বকে ফুসকুড়ি

 

সূত্র: এবিপি আনন্দ

   

About

Popular Links

x