Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সীমান্তে জরুরি অবস্থা ঘোষণা ট্রাম্পের, আশ্রয় আবেদন বাতিল

ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:১৪ পিএম

দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মার্কিন অভিবাসন নীতি এবং আশ্রয়দানের ওপর নতুন কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা এএফপি ওয়াশিংটন থেকে এ খবর জানিয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে মার্কিন-মেক্সিকো সীমান্তে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। অভিবাসন ঠেকাতে ওভাল অফিসে বসার পরপরই একগুচ্ছ নির্বাহী আদেশ ও ডিক্রিতে স্বাক্ষর করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “এটি একটি বড় বিষয়।”

তবে এসব আদেশের মধ্যে বিশেষত জন্মগত নাগরিকত্বের সংজ্ঞা পরিবর্তনের যেকোনো আদেশ প্রচণ্ড আইনি বিরোধিতার মুখে পড়তে পারে।

আগেই ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে বাইডেন প্রশাসনের “ধ্বংসাত্মক” নীতিগুলো “পাঁচ মিনিটের মধ্যেই” বাতিল করা হবে।

সাংবাদিকদের ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আইনি অভিবাসন আমার পছন্দ। আমার ভালো লাগে। আমাদের লোক দরকার এবং আমি এতে একেবারেই রাজি। আমরা এটা চাই। তবে, আমাদের আইনি অভিবাসন থাকতে হবে।”

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল

ট্রাম্পের ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম প্রভাব তার উদ্বোধনের কয়েক মিনিট পরেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আশ্রয়প্রার্থীদের অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করার জন্য প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অধীনে চালু করা একটি অ্যাপ অফলাইন হয়ে যায়। এই অ্যাপের মাধ্যমে মূলত সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের জন্য আগে থেকেই বুকিং করতে হয়।

মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই অ্যাপে ৩০ হাজার লোকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারিত ছিল।

ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টা এবং অভিবাসন নীতেতে কট্টরপন্থী খ্যাত স্টিফেন মিলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা করেন যে, দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি লিখেছেন, “যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য আগ্রহী সকল অবৈধ অভিবাসীদের এখনই ফিরে যাওয়া উচিত। অনুমোদন ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী যেকেউ বিচার এবং বহিষ্কারের মুখোমুখি হবেন।”

ট্রাম্প তার উদ্বোধনী ভাষণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে “সমস্ত অবৈধ প্রবেশ বন্ধ করা হবে” এবং লক্ষাধিক “অবৈধ অভিবাসী” ফেরত পাঠানো হবে।

এর আগে ওয়াশিংটনের ক্যাপিটাল ওয়ান এরিনায় এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বিগত বাইডেন প্রশাসনের প্রায় ৮০টি নির্বাহী আদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করেন, যেগুলোকে তিনি 'উগ্রপন্থী' হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ক্যাপিটল হিলের উদ্বোধনী ভাষণে ট্রাম্প বলেছিলেন, “আমার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজের দেশকে হুমকি এবং আক্রমণ থেকে রক্ষা করা।”

মার্কিন-মেক্সিকান সীমান্তে হতাশা

২৭ বছর বয়সী কিউবার নাগরিক আইম পেরেজ ট্রাম্পের প্রতি আবেগপূর্ণ আবেদন জানিয়েছেন। আইম পেরেজ বলেন, “আমরা যেহেতু এখানে আছি, তাই দয়া করে আমাদের থাকতে দিন। আমরা এখানে আসতে অনেক কষ্ট করেছি। আপনার দেশে আমাদের ঢুকতে দিন, যেন আমরা জীবনকে আরও উন্নত করতে পারি এবং আপনাদের মতোই একজন হয়ে থাকতে পারি।”

   

About

Popular Links

x