আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেছেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য আগামী নির্বাচন, আমরা এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।"
নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার ৮ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে। এসব বাহিনীর মধ্যে রয়েছে পুলিশ, আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। ইতোমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
প্রিজাইডিং অফিসারদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া, ৪০ হাজার বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা কেনার প্রক্রিয়া চলছে, যা ৪৭ হাজার ভোটকেন্দ্রে রিয়েল-টাইম আপডেট সংগ্রহে ব্যবহৃত হবে।
এদিকে, গত বছরের ৫ আগস্টের পর লুট হওয়া প্রায় ৭০০ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য প্রদানকারীদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা আসতে যাচ্ছে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে মোট ৫,৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গুলি লুট হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে রয়েছে রাইফেল, সাব-মেশিনগান, লাইট মেশিনগান, পিস্তল, শটগানসহ বিভিন্ন অস্ত্র ও গোলাবারুদ।
গত ৪ সেপ্টেম্বর থেকে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইজিপি জানান, নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই অভিযান নির্বাচন পর্যন্ত চলবে।



