Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে দুইপক্ষের মারামারির সময় আঘাত লেগে ওই ব্যক্তি মারা যান

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে মো. সেলিম (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামের দুধির বাপের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেলিম একই গ্রামের দুধির বাপের বাড়ির মো. শাহজাহানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিহতের বড় ছেলে মো. শাকিল অভিযোগ করে বলেন, “তার ছোট ভাই অন্তর (১৫) একই গ্রামের জলকাটাগো বাড়ির সজলের (১৭) সঙ্গে চলাফেরা করত। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সজল অন্তরকে মোবাইল ফোনে কল করে তাকে নাম ধরে ডাকতে নিষেধ করে। এ নিয়ে ফোনে তাদের মধ্যে সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর সজল অন্তরকে তার চাচাতো ভাইয়ের দোকান খলিল স্টোরে যেতে বলে। পরবর্তীতে অন্তর বাড়ি থেকে বের হয়নি।”

শাকিল আরও বলেন, “এ নিয়ে সজল ক্ষুব্ধ হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার সহযোগী শাওন, ফাহাদ ও রিয়াদসহ কয়েকজনকে নিয়ে আমাদের বাড়ির সামনে আসে। একপর্যায়ে আমার ছোট ভাই অন্তরকে বাড়ির সামনে দেখে তার ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। তখন আমি তাদের ধর ধর বলে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। শোরগোল শুনে আমার বাবা বাড়ির পাশে মুদি দোকান থেকে বের হন। পরে তিনি বাড়ির দিকে আসার সময় সজল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা আমার বাবাকে বেধড়ক মারধর করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।”

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বে সন্ধ্যার পরে দুইপক্ষ মারামারি করে। ওই সময় ভিকটিম ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আকস্মিক তার মুখে আঘাত লাগে। এতে তিনি ঘটনাস্থলে মাটিতে পড়ে মারা যান। মরদেহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”      

   

About

Popular Links

x