গৃহকর্মীদের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আইন সচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদেরকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে রিটকারী আইনজীবী নিজেই শুনানি করেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম ও রওশন আরা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজ।
এর আগে, গত ৩১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খাদিজাতুল কোবরা সংশ্লিষ্ট আদালতে এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদন করেন।
সেদিন খাদিজাতুল কোবরা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত বছর ৫ ডিসেম্বরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় মা-মেয়েকে হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় এই হত্যাকাণ্ড বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল। হত্যাকারী ছিলেন ওই বাসারই গৃহকর্মী। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর যুক্ত করে বিবাদীদের আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলাম।
তিনি জানান, সেই নোটিশে ১৯৬১ সালের গৃহকর্মী নিবন্ধন অধ্যাদেশ অনুসারে গৃহকর্মীদের জন্য “বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা” বাস্তবায়নের অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় পরে ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট আবেদন করি।
প্রসঙ্গত, ১৯৬১ সালের গৃহকর্মী নিবন্ধন অধ্যাদেশে রাজধানী ঢাকার নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকার কথা উল্লেখ রয়েছে। এলাকাগুলো হচ্ছে ঢাকা কোতোয়ালী, সূত্রাপুর, লালবাগ, রমনা ও তেজগাঁও।
বিদ্যমান অধ্যাদেশ অনুসারে এসব এলাকার বাসাবাড়িতে কাজ করা গৃহকর্মীদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে সরকার গেজেট জারির মাধ্যমে অন্য এলাকাও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে।



