ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে দীর্ঘ প্রায় ১৭ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রী ও চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
সোমবার (১৮ মে) সকালে মহাসড়কের লাঙ্গলবন্দ এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশের ঢালাই কাজ শুরু হলে এ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যানজট মহাসড়কের লাঙ্গলবন্দ থেকে দাউদকান্দি ব্রিজ ছাড়িয়ে গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও ব্যক্তিগত গাড়ি দীর্ঘ সময় ধরে যানজটে আটকে আছে। অনেক যাত্রীকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এছাড়া তীব্র গরমে চরম অস্বস্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
তিশা বাসের যাত্রী আমেনা বেগম বলেন, “দুপুর থেকে যানজটের মধ্যে গাড়িতে বসে আছি। এই গরমের খুব খারাপ লাগছে। তবুও কিছু করার নেই।”
আবির হোসেন নামে আরেক যাত্রী যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে রওনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এক ব্যক্তির সঙ্গে দুপুর ৩টার দিকে আমার মিটিং আছে। ঠিক সময়ে পৌঁছাতে না পারলে অনেক লোকসান হয়ে যাবে। এ কারণে হেঁটে সামনের দিকে এগোচ্ছি। যানজট কমলে অন্য গাড়িতে করে গৌন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিব।”
ট্রাক চালক আমির হোসেন বলেন, “যানজট দাউদকান্দি পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে। দুপুর থেকে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এক স্থানে আটকে আছি। কিছুক্ষণ আগে একটু সামনে এগোতে পেরেছি। তবে এভাবে যানজটে বসে থাকলে মালামাল কখন ডেলিভারি দিব কিছুই বুঝতে পারছি না।”
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ বলেন, “মহাসড়কের গাড়ির ধীরগতি রয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখি লেনের একপাশ বন্ধ করে লাঙ্গলবন্দ সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ঢালাই কাজ করছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। একারণে গাড়ির জটলা তৈরি হয়েছে। কাজ শেষ হলে এ সমস্যা থাকবে না।”
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, “লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কার কাজের কারণে একটু সমস্যা হচ্ছে। তবে সংস্কারের পর যানজটের সমস্যার আর থাকবে না।”



