সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারামুক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে ফেরার পর বাড়ির সামনের গেটসংলগ্ন ল্যাম্পপোস্টে একটি আধুনিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে জেলা পুলিশ। সেখানে সাদা পোশাকে পুলিশের নজরদারিও লক্ষ্য করা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আল মেহেদী জানান, শুধু সাবেক মেয়রের বাড়ি সামনে নয়, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এলাকাটিতে মোট চারটি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এর একটি আইভীর বাসার সামনের ল্যাম্পপোস্টে স্থাপন করা হয়েছে।
তারেক আল মেহেদী বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, “যেহেতু তিনি একজন সাবেক মেয়র, তাই তার নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা বিবেচনা করছি। তাছাড়া, তিনি নিজে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে যেন জড়িয়ে না পড়েন কিংবা তার পক্ষে কেউ যেন উসকানি না দেয় সেটি আমাদের নজরদারিতে আছে।”
এজন্য, সাদা পোশাকে ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলেও জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।
এর আগে, বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় নিজ বাসভবনে পৌঁছান আইভী। এরপর থেকেই আত্মীয়স্বজন, শুভানুধ্যায়ী ও অনুসারীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই বাড়ির সামনের সিসি ক্যামেরা স্থানীয়দের নজরে আসে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা ১২টি মামলায় জামিন পেয়ে প্রায় ১৩ মাস কারাভোগের পর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে বুধবার রাত ১০টার দিকে মুক্তি পান আইভী। রাতে তিনি নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে পৈতৃক বাড়ি “চুনকা কুটিরে” ফেরেন।
তার মুক্তি ও বাড়ি ফেরাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ শহরের কয়েকটি পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন ছিল। বিপুল সংখ্যক পুলিশ রাতভর বাড়ির সামনেও অবস্থান নেয়। রাতেই পুলিশের তত্ত্বাবধানে আইভীর বাড়ির সামনে ও আশেপাশের সড়কে সিসি ক্যামেরাগুলো স্থাপন করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।



জামিনে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী